রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের ছাড় চায় বাংলাদেশ

সর্বমোট পঠিত : 7 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল বিঘ্নের কারণে বাংলাদেশ বর্তমানে জ্বালানি সংকটে রয়েছে, বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ রোপণ মৌসুমের আগে। কৃষকদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখতে এ ছাড় জরুরি।

রাশিয়া থেকে পরিশোধিত ডিজেলসহ অন্যান্য জ্বালানি তেল আমদানির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশেষ ছাড় বা ‘ওয়েভার’ চেয়েছে বাংলাদেশ। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে উদ্ভূত বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আসন্ন শস্য রোপণ মৌসুমে কৃষকদের চাহিদা মেটাতে মার্কিন প্রশাসনের কাছে এই অনুরোধ জানানো হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইটের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এ প্রস্তাব দেন। আজ বুধবার ঢাকায় প্রাপ্ত এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল বিঘ্নের কারণে বাংলাদেশ বর্তমানে জ্বালানি সংকটে রয়েছে, বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ রোপণ মৌসুমের আগে। কৃষকদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখতে এ ছাড় জরুরি।

ড. খলিলুর রহমান মার্কিন মন্ত্রীকে জানান, এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সীমিত বৈশ্বিক ছাড়ের সুবিধা বাংলাদেশ নিতে পারেনি, কারণ সে সময় রাশিয়ার তেলবাহী কোনো ট্যাংকার বাংলাদেশের উদ্দেশে (বাংলাদেশ অভিমুখে) ছিল না।

বৈঠকে তাৎক্ষণিক চাহিদা মেটাতে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল তৃতীয় কোনো দেশে পরিশোধনের পর তা আমদানির বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হয়। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদে টেকসই জ্বালানি সহযোগিতা এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজিসহ অন্যান্য জ্বালানি পণ্য আমদানির সম্ভাবনা নিয়েও দুই দেশের প্রতিনিধিরা কথা বলেন।

বাংলাদেশের সংকটের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করে মার্কিন জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট বলেন, এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এসময় তিনি বাংলাদেশের অনুরোধ ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেন এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সঙ্গে কাজ করার কথা জানান।

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম, ডেপুটি চিফ অব মিশন ডি এম সালাহউদ্দিন মাহমুদ এবং ইকোনমিক মিনিস্টার ড. মো. ফজলে রাব্বি।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি