হাবিব জানান, বিশেষ পদ্ধতির গ্যাস সিলিন্ডার ও কিট সংগ্রহ করে মোটরসাইকেলে সংযোজন করলেই ব্যবহারের উপযোগী হয় মোটরসাইকেলটি। তার দাবি, এতে ইঞ্জিনের কোন ক্ষতি হয়না; আর ১শ টাকার গ্যাসে চলে ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত। গ্যাস ফুরিয়ে গেলে পেট্রোল কিংবা অকটেন দিয়েও চালানো যাচ্ছে শখের মোটরসাইকেলটি। মাত্র ১২ হাজার টাকা খরচ করে সিএনজি রুপান্তর করা সম্ভব। হাবিব আরো জানান, সে ইনডিয়া থেকে শিখে এসে টাঙ্গাইলে কিছুদিন এ কাজ করেছেন। এখন শেরপুরে তিনি অনেক সাড়া পাচ্ছেন।
তেল সঙ্কটে মোটরসাইকেল চালকরা মোটরসাইকেলে করছে এলপি গ্যাস সংযোজন
অব্যহত তেল সঙ্কট চলছে। চাহিদা মাফিক তেল পাওয়া যাচ্ছে না। মধ্য প্রাচ্যে কবে যুদ্ধ শেষ হবে? আর কবে নাগাদ জালানি তেলের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এরও কোন নিশ্চয়তা নেই। তাই বিকল্প হিসেবে শেরপুরে অভিনব কায়দায় মোটরসাইকেলে এলপি গ্যাসে সংযোজন করা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যখন পেট্রোল ও অকটেন সঙ্কটে দিশেহারা মোটরসাইকেল চালকরা। ঠিক তখনই জানাগেলো এবার পেট্রোল বা অকটেনের পরিবর্তে, এলপি গ্যাসে চলছে মোটরসাইকেল। হাবিবুর রহমান হাবিব নামে এক মোটরসাইকেল মিস্ত্রি টাঙ্গাইল থেকে কাজ শিখে এসে শেরপুর সদরের আখের মাহমুদ বাজারে দোকান দিয়ে শুরু করেছেন মোটরসাইকেলে গ্যাস সংযোজনের এই অভিনব পদ্ধতি।
হাবিব জানান, বিশেষ পদ্ধতির গ্যাস সিলিন্ডার ও কিট সংগ্রহ করে মোটরসাইকেলে সংযোজন করলেই ব্যবহারের উপযোগী হয় মোটরসাইকেলটি। তার দাবি, এতে ইঞ্জিনের কোন ক্ষতি হয়না; আর ১শ টাকার গ্যাসে চলে ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত। গ্যাস ফুরিয়ে গেলে পেট্রোল কিংবা অকটেন দিয়েও চালানো যাচ্ছে শখের মোটরসাইকেলটি। মাত্র ১২ হাজার টাকা খরচ করে সিএনজি রুপান্তর করা সম্ভব। হাবিব আরো জানান, সে ইনডিয়া থেকে শিখে এসে টাঙ্গাইলে কিছুদিন এ কাজ করেছেন। এখন শেরপুরে তিনি অনেক সাড়া পাচ্ছেন।
পেট্রোল ও অকটেন সংকটের ফলে মোটরসাইকেলের চালকরা স্বল্প খরচে বেশি মাইলেজ পেতে জ্বালানি হিসেবে ঝুঁকছেন এলপি গ্যাসের দিকে। এই পদ্ধতিতে মোটরসাইকেলটির মাইলেজ এবং গতিশক্তিকে নিজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায় বলে খুশি ব্যবহারকারীরাও।
জেলার ফিলিং স্টেশনগুলোতে পেট্রোল ও অকটনের জন্য দীর্ঘ লাইন দিয়েও যখন তেল পাচ্ছেন না চালকরা। তখন অনেকেই আগ্রহ হচ্ছেন শখের মোটরসাইকেলটিকে এলপি গ্যাসে রুপান্তর করার।
গত ৩মাসে অন্তত শতাধিক মোটরসাইকেলে এলপিজি গ্যাস পদ্ধতি লাগিয়েছেন হাবিব এবং প্রতিদিন একাধিক মোটরসাইকেলে এই পদ্ধতির সংযোজন করছেন তিনি।
এলপি গ্যাসে মোটরসাইকেল চালাতে পেড়ে খুশি মোটরসাইকেল চালক সফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন আমার মোটরসাইকেল এলপি গ্যাস সিস্টেম করেছি। ভালভাবেই চলছে। এতে তেলের কোন ঝামেলা নেই।
বালুরঘাটের ছামেদুল বলেন, ঘন্টারপর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে তেলই নিমো না কাজই করমু। তাই নিয়ত করছি এলপি গ্যাস সিস্টেম করবো আমার মোটরসাইকেল।
মন্তব্য