মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ মার্চ ঝিনাইগাতী উপজেলার হাতীবান্ধা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ঘাগড়া দরগারপাড় গ্রামে অভিযুক্তরা ভোটারদের প্রতিজনকে ৩০০ টাকা করে বিতরণ করছিলেন। বিষয়টি নিয়ে মো. হারুনুর রশিদ নামে এক ব্যক্তি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে অনুসন্ধান কমিটি তদন্ত শুরু করে।
ঝিনাইগাতীতে টাকা বিতরণের অভিযোগে জামাতের সেই দুই কর্মীকে অর্থদণ্ড
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের স্থগিত শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন উপলক্ষে ভোট কেনাবেচার দায়ে দুই ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড প্রদান করেছে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। ১মার্চ বুধবার বিকেলে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান এবং যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. মোরশেদুল আলম এই আদেশ প্রদান করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন ঝিনাইগাতী উপজেলার ঘাগড়া মণ্ডলপাড়া গ্রামের মো. আব্দুর রাজ্জাক ও মো. মোরাদ মিয়া (বাবু)। তারা দুজনেই ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের কর্মী-সমর্থক হিসেবে পরিচিত।
মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ মার্চ ঝিনাইগাতী উপজেলার হাতীবান্ধা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ঘাগড়া দরগারপাড় গ্রামে অভিযুক্তরা ভোটারদের প্রতিজনকে ৩০০ টাকা করে বিতরণ করছিলেন। বিষয়টি নিয়ে মো. হারুনুর রশিদ নামে এক ব্যক্তি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে অনুসন্ধান কমিটি তদন্ত শুরু করে।
তদন্তে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে সরজমিনে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। এটি ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫’-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। পরে 'The Representation of the People Order ১৯৭২' অনুযায়ী বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বুধবার তাদের বিরুদ্ধে এই অর্থদণ্ড কার্যকর করা হয়।
নির্বাচনি এলাকায় সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এবং যেকোনো ধরনের বিধি লঙ্ঘন রোধে এ ধরনের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
মন্তব্য