এ বিষয়ে নেত্রকোনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা বিনতে রফিক বলেন এ প্রতিনিধিকে জানান,শুনেছি সকালে ঝড় তুফান হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা দেখার জন্য উপজেলা পিআইওকে বলেছি।
নেত্রকোণার সদর উপজেলায় ঝড় তুফানে বাড়িঘরসহ গাছপালার ব্যাপক ক্ষতি
নেত্রকোণার সদর উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়নের লাইট গ্রামে আকস্মিক ঝড়ে কাঁচা বাড়িঘর গাছপালার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া ঝড়ের কবলে পড়ে আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। বুধবার (০১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে লাইট মধ্যপাড়া ও পশ্চিমপাড়া গ্রামের ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে যায়। এতে অন্তত ২০টি কাঁচা ঘর ও অর্ধশত গাছ ভেঙে গেছে।কয়েক মিনিটের ঝড়ে উড়ে গেছে ঘরের টিন,ভেঙে গেছে অর্ধশত ঘরবাড়ি ও গাছপালা। ঝড়ের তাণ্ডবে অনেক আম,কাঁঠাল,লিচুসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা ভেঙে মাটিতে মিশে গেছে।
ক্ষকিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে ১.মোঃ রিপন মিয়া,পিতা হাছান আলী ২.মোঃ জুয়েল মিয়া পিতা আজিজ মেম্বার ৩.আব্দুল গনি পিতা আব্দুর রহমান ৪.মোঃ শাহ আলম পিতা আবদুল অহেদ ৫.মোঃ শফিকুল ইসলাম বিশ্বাস পিতা মোঃ কমির বিশ্বাস ৬.আবদুল মজিদ পিতা সুলতান মিয়া,৭ সবুজ মিয়া পিতা আব্দুল লতিফ ৮.আবুল কাশেম পিতা শামসু মিয়া ৯.কামাল হোসেন পিতা শামসুদ্দিন, ১০.আল আমিন পিতা বাবুল মিয়া ১১.জাহাঙ্গীর আলম পিতা সুরুজ মিঞা ১২.সন্ধির মা,স্বামী মৃত হেকিম উদ্দিন ১৩. শামসুল হুদা পিতা হাছান আলী ১৪.মানিক মিয়া, পিতা হাছান আলী ১৫.মুনির মিয়া পিতা হাছান আলী ১৬.লাল মিয়া পিতা সদর আলী ১৭.দুলাল মিয়া হাছান আলী ১৮.রোজিনা আক্তার স্বামী ফজলুর রফ খান,১৯.নীল বানু স্বামী মৃত হোসেন আলী ২০.মোঃ সবুজ মিয়া পিতা বাচ্চু মিয়া সহ অর্ধশত মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এছাড়া ঘর ভেঙে আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন।
এ বিষয়ে নেত্রকোনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা বিনতে রফিক বলেন এ প্রতিনিধিকে জানান,শুনেছি সকালে ঝড় তুফান হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা দেখার জন্য উপজেলা পিআইওকে বলেছি।
মন্তব্য