বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মোবারক হোসেন মজুমদার জানান, ১০০টির ও বেশি লঞ্চ প্রস্তুত রয়েছে ঘাটে। ভাড়া নেওয়া হচ্ছে সরকারি নির্ধারিত চেয়ে ১০ শতাংশ কম।
ঈদযাত্রায় এখন পর্যন্ত স্বস্তি
ঈদকে সামনে রেখে শুরু হয়েছে ঘরমুখী মানুষের ঢল। রাজধানীর বাস-লঞ্চ টার্মিনাল ও রেলস্টেশনগুলোতে এখন যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। সেহেরির পর থেকেই রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলোতে দেখা যায় যাত্রীদের ভিড়। এবার মহাখালী, কল্যাণপুর ও গাবতলী থেকে বেশিরভাগ বাস ছেড়ে যাচ্ছে নির্দিষ্ট সময়েই। যাত্রীরা স্বস্তির সাথেই যাত্রা করছেন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে।
পরিবহন কর্তৃপক্ষ বলছে, তেল সংকটের কারণে ঈদে টিকিট বিক্রির সংখ্যা কম। যদিও সন্ধ্যার পর থেকে যাত্রী চাপ বাড়ার প্রত্যাশা তাদের।
যাত্রীরা বলছেন, অন্যান্যবারের মতো টিকিট পেতে ভোগান্তি পোহাতে হয়নি, বরং অনলাইনে খুব সহজেই ন্যায্য দামে টিকিট পাওয়া গেছে।
তবে ইন্সট্যান্ট টিকিটের ক্ষেত্রে ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেশি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এদিকে কমলাপুর রেলস্টেশনে বেড়েছে ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের চাপ। তবে সকালের ট্রেনগুলো ছেড়েছে নির্দিষ্ট সময়ে। শিডিউল বিপর্যয় এড়িয়ে ট্রেনের যাত্রায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বজায় রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক এ বি এম কামরুজ্জামান।
যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে লঞ্চ টার্মিনালেও। দক্ষিণাঞ্চলসহ বিভিন্ন জেলার ৩৭টি রুটে চলছে লঞ্চ। ভোরের আলো ফুটতেই পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘাটে আসতে শুরু করেন অনেকে। টিকিট সংগ্রহ থেকে শুরু করে লঞ্চে ওঠা সবখানেই ব্যস্ততা আর উৎসবের আমেজ।
দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় যাত্রীদের চাহিদা মেটাতে একের পর এক লঞ্চ ছেড়ে গেছে। বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনাসহ উপকূলীয় জেলাগুলোর উদ্দেশে পর্যাপ্ত যাত্রী হলে চলাচল করছে লঞ্চগুলো। স্বস্তির বিষয়, অন্যান্য সময়ের মতো অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের তেমন কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। নির্ধারিত ভাড়াতেই যাত্রা করতে পেরে খুশি যাত্রীরা।
বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মোবারক হোসেন মজুমদার জানান, ১০০টির ও বেশি লঞ্চ প্রস্তুত রয়েছে ঘাটে। ভাড়া নেওয়া হচ্ছে সরকারি নির্ধারিত চেয়ে ১০ শতাংশ কম।
মন্তব্য