গ্যাস সংকটে কারখানার উৎপাদন কমছে, পোশাকখাতে লোকসানের শঙ্কা

সর্বমোট পঠিত : 98 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

স্টাইলিশ গার্মেন্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন চৌধুরী বলেন, উৎপাদন কমলে ক্রেতারা চলে যাবে। আমাদের শত শত কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে। নতুন সরকারের কাছে আবেদন, নতুন পলিসি করা হোক। উৎপাদন যেন বাড়াতে পারি, আরও বিনিয়োগ আনতে পারি। 

গাজীপুরে তীব্র গ্যাস সংকটে কারখানার উৎপাদন কমেছে অর্ধেক। দিনের বেশির ভাগ সময় গ্যাসের চাপ কম থাকায় বেকার বসে থাকতে হচ্ছে শ্রমিকদের। এ অবস্থায় রপ্তানিমুখী পোশাক খাত লোকসানের মুখে পড়েছে। বেতন ভাতা নিয়ে শঙ্কাও শ্রমিকরা।

গাজীপুরে তিতাসের সরবরাহের লাইনে গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে। কারখানা গুলোতে প্রতি বর্গফুটে যেখানে গ্যাসের চাপ ১৫ পিএসআই থাকার কথা সেখানে মিলছে মাত্র দুই থেকে তিন পিএসআই। জ্বালানি সঙ্কটে উৎপাদন কমেছে অর্ধেকে।

উৎপাদন ব্যাহত হলে একদিকে রয়েছে কারখানা বন্ধের ঝুঁকি। অন্যদিকে বেতন-ভাতা পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় শ্রমিকেরা। এছাড়াও গ্যাসের চাপ না থাকায় সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দেখা গেছে গাড়ির লম্বা লাইন।

একটি কারখানার এক কর্মী জানান, গ্যাস সংকটের কারণে কারখানা বন্ধের অবস্থা। কারখানা কৃর্তপক্ষ বলছে, কারখানায় উৎপাদন কমেছে ৫০ ভাগ। শত শত কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে মালিকদের । 

সাদমা গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজার মইনুল ইসলাম পলাশ বলেন, গ্যাস প্রেসার অনেক কম। এ কারণে উৎপাদন মেশিনারিজ চালাতে পারছি না। উৎপাদন অর্ধেক কমে গেছে।

স্টাইলিশ গার্মেন্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন চৌধুরী বলেন, উৎপাদন কমলে ক্রেতারা চলে যাবে। আমাদের শত শত কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে। নতুন সরকারের কাছে আবেদন, নতুন পলিসি করা হোক। উৎপাদন যেন বাড়াতে পারি, আরও বিনিয়োগ আনতে পারি। 

গাজীপুরে ৫ হাজারের বেশি কলকারখানা রয়েছে। কাজ করছেন অন্তত ২২ লাখ শ্রমিক। 

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি