ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, হাসপাতালে দেখা দিয়েছে ভ্যাকসিন সংকট। পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় বাইরে থেকে বেশি দামে ভ্যাকসিন কিনতে হচ্ছে।
বরিশালে কুকুর-বিড়ালের কামড়ে আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে জলাতঙ্ক রোগী
বরিশালে কুকুর, বিড়ালের কামড়ে আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে জলাতঙ্ক রোগী। হাসপাতালে প্রতিদিন ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে তিন শতাধিক। রোগীদের তুলনায় পর্যাপ্ত ভ্যাকসিনের সরবরাহ না থাকায় ভোগান্তি আরও বাড়ছে। গত নয় মাসে ভ্যাকসিন নিয়েছে প্রায় ১৯ হাজার রোগী।
গত বছরের চেয়ে এ বছর প্রায় তিনগুণ বেড়েছে কুকুর, বিড়াল দ্বারা আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা। বিশেষ করে বাসা-বাড়িতে পোষা কুকুর ও বিড়ালের আক্রান্তের হার বেশি। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, হাসপাতালে দেখা দিয়েছে ভ্যাকসিন সংকট। পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় বাইরে থেকে বেশি দামে ভ্যাকসিন কিনতে হচ্ছে।
চলতি বছরের নভেম্বর মাস পর্যন্ত ১৯ হাজার ৬৩৯ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নভেম্বর মাসের পাঁচ দিনে ভ্যাকসিন পেয়েছে প্রায় দেড় হাজার মানুষ। চাহিদা অনুযায়ী ভ্যাকসিনের সরবরাহ না থাকার কথা জানিয়েছেন বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মলয় কৃষ্ণ বড়াল।
বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন এস.এম. মনজুর-এ-এলাহী বলেন, ভ্যাকসিনের সংকট দ্রুত সমাধান করা হবে।
মন্তব্য