পরিদর্শনকালে মন্ত্রী মণ্ডপের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দ ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন খোঁজ-খবর নেন এবং নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপনে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস ব্যক্ত করেন।
শেরপুরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কোন কমতি নেই: পর্যটনমন্ত্রী
শেরপুরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কোন কমতি নেই: পর্যটনমন্ত্রী
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, শেরপুরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কোন কমতি নেই। এখানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, রাজনীতিবিদ ও সাংবাদিকগণসহ জেলা প্রশাসনের পর্যাপ্ত সহযোগিতা রয়েছে। আমি অনেকের কাছেই খোঁজ নিয়ে দেখলাম। এখানে সব পূজা মণ্ডপই সুন্দরভাবে চলছে। সরকারিভাবেও মণ্ডপে মণ্ডপে সহযোগিতা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হিন্দু সম্প্রদায়ের একশত ভাগ সমর্থন ছিল বিএনপির প্রতি। এই সমর্থনটা যেন অব্যাহত থাকে। আমরা-আপনারা সবাই মিলেই এদেশটাকে গড়বো। এটাই হোক আজকের এই পার্বণের উক্তি।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শেরপুরের শ্রী শ্রী মা ভবতাঁরা মন্দির পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেছেন, দুর্গাপূজায় যেকোনো ধরনের নাশকতার চেষ্টা প্রতিহত করা হবে। দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করেছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শেরপুরের শ্রী শ্রী মা ভবতাঁরা মন্দির পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, ধর্ম যার যার, দেশটা সবার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে একাত্মতা পোষণ করে এবারের পূজা উদযাপন করছি। এদেশটা সবার। আমরা মনে করি আমাদের যেমন ঈদ আছে, এরকম দুর্গাপূজাও তাদের বড় ধরনের একটি উৎসব। এ উৎসবে আমরা সম্মিলিতভাবে সকলেই একসাথে উদযাপন করব, এটিই আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির লক্ষণ।
মণ্ডপ পরিদর্শনকালে শেরপুর-৩ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হাসান রুবেল, জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম, শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজা, জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহবায়ক জিতেন্দ্র মজুমদার, সদস্য সচিব সুব্রত চন্দ্র দেসহ জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা, বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও মন্দির-মণ্ডপ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য