উল্লেখ্য, যমুনা সারকারখানা থেকে জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলসহ উত্তরবঙ্গের ১৯ জেলার প্রায় আড়াই হাজার ডিলার যমুনার সার উত্তোলন করে থাকেন।
দীর্ঘ আট মাস পর উৎপাদনে গেল যমুনা সারকারখানা
দীর্ঘ আট মাস পর উৎপাদনে গেল যমুনা সারকারখানা
বিশ্বের দ্বিতীয় এবং দেশের সর্ববৃহৎ দানাদার ইউরিয়া উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান জামালপুরের সরিষাবাড়ীর তারাকান্দিতে অবস্থিত যমুনা সার কারখানা (জেএফসিএল) গ্যাস সংযোগের পর মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভোর রাতে উৎপাদন শুরু হয়েছে। যমুনা সার কারখানার উৎপাদন শাখার বিভাগীয় প্রধান ফজলুল হক রতন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্যাস সঙ্কটে প্রায় ৮ মাস বন্ধ রাখার পর গত ২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে গ্যাস সংযোগ পেয়ে কারখানার স্টার্ট-আপ (উৎপাদন শুরুর প্রাথমিক প্রস্তুতি) শুরু করে কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় ও কারখানা সূত্র জানায়, ১৯৯২ সালের ১লা জুলাই যমুনা সারকারখানা বাণিজ্যিক ভাবে দানাদার ইউরিয়া উৎপাদন শুরু করে। এটি বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্পসংস্থা (বিসিআইসি) অধীন দৈনিক ১ হাজার ৭০০’শ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদনে সক্ষম। এ সারকারখানাটি ৪২ পিএসআই চাপে গ্যাস প্রয়োজন হয়।
এ ব্যাপারে যমুনা সার কারখানার মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন জানান, গত ২০ সেপ্টেম্বর তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন আন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানি যমুনায় গ্যাস সংযোগ দেয়ার পর কারখানার স্টার্ট-আপ শুরু করা হয়। সারকারখানাটিতে ৪২ পিএসআই চাপে গ্যাস প্রয়োজন হলেও তা ২৬/২৭ পিএসআই চাপে নেমে আসে। মঙ্গলবার রাত ৩.১০ মিনিটে ৩৮/৩৯ পিএসআই চাপ পেয়েই অ্যামোনিয়া ও ইউরিয়া উৎপাদন শুরু করেছি। যেহেতু কারখানা পুরনো তাই শতভাগ উৎপাদন আশা করা যায়না। তবে দৈনিক ১৩০০/১৩৫০ মেঃটন সার উৎপাদন প্রত্যাশা করছি।
মন্তব্য