কালবৈশাখী ঝড়ের তান্ডব: গাছ চাপায় মা ও দুই মেয়ের মৃত্যু

সর্বমোট পঠিত : 10 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

মেলান্দহ থানার উপ-পরিদর্শক মো: হুমায়ূন কবির বলেন- ‘সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। পরে মৃতদের সুরতহাল করা হয়। পরিবারের দাবির প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় থানায় একটি অমৃত্যুর মামলা হবে।’ ৩০ বছর আগে স্বামী হারানো খুকি বেগম ছিলেন দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জননী।

স্টাফ রিপোর্টার: জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে গাছ ভেঙে বসতঘরের ওপর পড়ে মা ও দুই মেয়ের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) ভোর রাতে  উপজেলার নয়ানগর ইউনিয়নের দাগী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলেন- দাগী গ্রামের মৃত গনি মণ্ডলের স্ত্রী খুকি বেগম (৬৫) এবং তার দুই মেয়ে ফরিদা আক্তার (৪০) ও ফাতেমা আক্তার (৩৭)। এর মধ্যে ফরিদা আক্তার মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিন্নাতুল আরা।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গতকাল রাত ২টার পর থেকে জামালপুর জেলাজুড়ে শুরু হয় দমকা হাওয়া ও কালবৈশাখী ঝড়। ঝড়ের সময় নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন বৃদ্ধা খুকী বেগম ও তার দুই মেয়ে ফরিদা ও ফাতেমা। রাতের যেকোনো সময় তিনটি গাছ পড়ে বিধস্ত হয় তাদের একমাত্র ঘর এবং ঘুমন্ত    অবস্থায় মারা যান  তিনজন। পরে ভোরে স্থানীয়রা দেখে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে উদ্ধার করা হয় তিনজনের মরদেহ।

দাগী গ্রামের বাসিন্দা বিল্লাল বলেন-‘খুশি বেগমের সংসার চলতো অন্যের সহযোগিতায়। থাকার জন্য কোনো মতে একটি ঘর দাড় করিয়েছেন।  কিছু অর্থের আশায় গাছগুলো লাগিয়েছিলেন তিনি। আর এই গাছের চাপায় মারা গেলেন তিনি ও তার দুই মেয়ে। ‘

একই গ্রামের বাসিন্দা হেলাল মিয়া বলেন- ‘একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যুতে শোকাহত গোটা অঞ্চল। মারা যাওয়া সকলে গরীব। তাই গ্রামের সকলে মিলে দাফনের ব্যবস্থা করছে৷’

মেলান্দহ থানার উপ-পরিদর্শক মো: হুমায়ূন কবির বলেন- ‘সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। পরে মৃতদের সুরতহাল করা হয়। পরিবারের দাবির প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় থানায় একটি অমৃত্যুর মামলা হবে।’ ৩০ বছর আগে স্বামী হারানো খুকি বেগম ছিলেন দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জননী।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি