ঝিনাইগাতীতে বজ্রাঘাতে গণশিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষকের মৃত্যু

সর্বমোট পঠিত : 24 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. আল আমিন বলেন, “আবুল হাসান নামে ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।”

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় ধান কাটতে গিয়ে বজ্রাঘাতে ইসলামি ফাউন্ডেশনের গণশিক্ষা কার্যক্রমের এক শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত মো. আবুল হাসান (৪০) ঝিনাইগাতী উপজেলার ধানশাইল ইউনিয়নের পূর্ব চাপাঝোড়া তালতলা গ্রামের বাসিন্দা এবং আলহাজ্ব শাহ আলম হাজির ছোট ছেলে। তিনি ইসলামি ফাউন্ডেশনের গণশিক্ষা কার্যক্রমের একজন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। একইসাথে তিনি একজন কৃষকও।

 ২৬ এপ্রিল বিকেলে এ ঘটনা ঘটলেও রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বজ্রপাতসহ কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ২৬ এপ্রিল রোববার বিকেলে বাড়ির পাশের জমিতে ধান কাটতে যান আবুল হাসান। বিকেল ৩টার দিকে এলাকায় বজ্রপাতসহ ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। তবে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। 

এ সময় জমির পাশ দিয়ে যাওয়ার পথে এক কৃষক আবুল হাসানকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখে তার বাড়িতে খবর দেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে রাত আটটার দিকে উদ্ধার করে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের ভাতিজা আনিস জানান, “আমার চাচার বজ্রাঘাতে মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থলে তার বুকের পশম পুড়ে যাওয়ার চিহ্ন দেখা গেছে।

তিনি ইসলামি ফাউন্ডেশনের গণশিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষক ছিলেন এবং ধানশাইল ইউনিয়নের চকপাড়া গণশিক্ষা কেন্দ্রে পাঠদান করতেন।” 

তিনি আরও জানান, আবুল হাসানের পরিবারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

এ বিষয়ে শেরপুর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক এস এম মোহাই মোনুল ইসলাম বলেন, “নিহত আবুল হাসান আমাদের গণশিক্ষা কার্যক্রমের একজন শিক্ষক ছিলেন। তিনি প্রায় ১০ বছর ধরে এই কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।”

ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. আল আমিন বলেন, “আবুল হাসান নামে ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।”

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি