নেত্রকোণা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, আবহাওয়া খারাপ হওয়ার আগেই কৃষকেরা যেন ঘরে ধান তুলতে পারে সেজন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সহায়তা করা হচ্ছে। কৃষকদের হারভেস্টার মেশিনসহ অন্যান্য সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।
আগাম বন্যার ভয়, দিন-রাত ধান কাটায় ব্যস্ত হাওরের কৃষক
নেত্রকোণার হাওরাঞ্চলে শুরু হয়েছে বোরো ধান কাটার উৎসব। ফলন ভালো হওয়ায় স্বস্তি মিললেও, বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলের শঙ্কায় তড়িঘড়ি ফসল কাটতে ব্যস্ত কৃষক। তাঁরা বলছেন, ডিজেল সংকটে হারভেস্টার মেশিন সহজলভ্য না হওয়ায় বেড়েছে শ্রমিকের খরচ। এদিকে দ্রুত ফসল ঘরে তুলতে যন্ত্রপাতি সরবরাহ করছে কৃষি বিভাগ।
নেত্রকোণার দিগন্তজোড়া হাওরে যতদূর চোখ যায়, সোনালি ধানের আভা। মদন, মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুরীসহ নিচু এলাকায় এরইমধ্যে শুরু হয়েছে বোরো ধান কাটা।
বৃষ্টি আর আগাম বন্যার শঙ্কায় দিন-রাত ধান কাটায় ব্যস্ত কৃষক ও দিনমজুর। এবার জেলায় ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৪৭ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে হাওরাঞ্চলেই ৪১ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে আগাম জাতের ধান চাষ হয়েছে।
কৃষকেরা বলছেন, এবার ধানের ফলন অনেক ভালো হয়েছে। সারা বছরের সমস্ত খরচই এই বোরো ফসল থেকে আসে।
দ্রুত ধান কাটতে ব্যবহার করা হচ্ছে কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিনও। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী কয়েক দিনে শতভাগ ধান ঘরে তোলার লক্ষ্য চাষিদের। তবে শ্রমিকের মজুরি কিছুটা বেশি বলছেন তাঁরা। ফসলের ন্যায্য দাম মিললে হাসি ফুটবে কৃষকের মুখে।
কৃষকদের ভাষ্য, ফসলের ফলন এবার ভালো। সকলেই আগাম ধান কাটায় ব্যস্ত।
কৃষি বিভাগ বলছে, আবহাওয়া খারাপ হওয়ার আগেই ধান ঘরে তুলতে কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সরবরাহ করা হচ্ছে হারভেস্টার মেশিন।
নেত্রকোণা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, আবহাওয়া খারাপ হওয়ার আগেই কৃষকেরা যেন ঘরে ধান তুলতে পারে সেজন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সহায়তা করা হচ্ছে। কৃষকদের হারভেস্টার মেশিনসহ অন্যান্য সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।
জেলায় এবার চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৮ লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টনের বেশি।
মন্তব্য