উল্লেখ্য, শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুজনিত কারণে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে ঘোষিত তফসিল ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ আসনে বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াত আলহাজ্ব মাসুদুর রহমান ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত শেরপুর-৩ আসনের ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে মোট ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
দেশের মানুষ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রত্যাশা করে : ঝিনাইগাতীতে গোলাম পরওয়ার
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, দেশের মানুষ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রত্যাশা করে। জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত হলেই প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে। তাই ৯ এপ্রিলের নির্বাচনে জনগণকে সচেতন হয়ে সঠিক প্রার্থীকে বেছে নিতে হবে। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ন্যায়বিচার ও ইনসাফের প্রতীক-এ প্রতীকের পক্ষে গণসমর্থন দিন। তিনি ৪ এপ্রিল শনিবার দুপুরে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজিত জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি-জামায়াতসহ ৩৩টি দল ফ্যাসিস্ট আমলের বিদ্যমান রাষ্ট্রব্যবস্থাকে সংস্কারের জন্য সাংবিধানিক, রাজনৈতিক, আইনি, প্রশাসনিক ৮৪টি সংস্কারের বিষয়ে একমত হয়েছিলাম। তার মধ্যে ৪৭টি সংস্কার ছিল সাংবিধানিক পরিবর্তন। এখন যারা ক্ষমতায় গিয়েছেন একমাসও হয়নি। তারা ১৮০ ডিগ্রী উল্টো ঘুরে গিয়েছে। তারা অন্তবর্তীকালীন সরকারের গণভোটের অধ্যাদেশ বাতিল করার জন্য ব্যবস্থা করছে। মানুষ আস্তে আস্তে ভুলে যায়, আস্তে আস্তে উল্টো চলে। কিন্তু তারা একমাসেই উল্টা চলছে।
নির্বাচনী সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্ম আজ পরিবর্তন চায়। দুর্নীতি, দুঃশাসন ও অবিচারের বিরুদ্ধে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ৯ এপ্রিলের নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখুন।
ঝিনাইগাতী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মো. নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মো. ফরহাদ হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন আহমেদ, কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদের সদস্য মো. মনজুরুল ইসলাম ভূঁইয়া, শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি গোলাম কিবরিয়া ভিপি, সাবেক সেক্রেটারি মাওলানা জাকারিয়া মো. আব্দুল বাতেন, জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব মাসুদুর রহমান মাসুদ প্রমুখ। বক্তারা আসন্ন নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে বক্তব্য তুলে ধরেন।
সভায় কেন্দ্রীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন।
উল্লেখ্য, শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুজনিত কারণে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে ঘোষিত তফসিল ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ আসনে বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াত আলহাজ্ব মাসুদুর রহমান ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত শেরপুর-৩ আসনের ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে মোট ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
মন্তব্য