ফুটবলে আসছে বাধ্যতামূলক নিয়ম, দেখা যাবে বিশ্বকাপেই

সর্বমোট পঠিত : 19 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি দলের বেঞ্চে অন্তত দুইজন নারী স্টাফ থাকতেই হবে, যার মধ্যে একজন অবশ্যই প্রধান কোচ বা সহকারী কোচের ভূমিকায় থাকবেন। এই নিয়ম ফিফার যুব ও সিনিয়র—সব ধরনের টুর্নামেন্টে প্রযোজ্য হবে, যার মধ্যে ক্লাব ও জাতীয় দল উভয়ই অন্তর্ভুক্ত।

নারী ফুটবলের কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ফিফা। যেখানে সব দলে কোচিং স্টাফে নারী কোচ রাখা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। নতুন এই নিয়মটি চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে অনূর্ধ্ব-২০ নারী বিশ্বকাপ থেকেই কার্যকর হবে। সেই সঙ্গে আসন্ন ২০২৭ নারীদের বিশ্বকাপসহ বড় টুর্নামেন্টগুলোতে এই নিয়ম পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হবে।

ফিফা জানিয়েছে, ফুটবলের শীর্ষ পর্যায়ে নারী কোচের স্বল্পতা দূর করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়মানুযায়ী, ফিফার নারী ফুটবল টুর্নামেন্টগুলোতে অংশ নেওয়া প্রতিটি দলকে অন্তত একজন নারী প্রধান কোচ বা সহকারী কোচ রাখতে হবে।  

ফিফার নতুন এই নিয়ম, চলতি বছর অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনূর্ধ্ব-২০ নারী বিশ্বকাপ এবং নারী চ্যাম্পিয়ন্স কাপ থেকে কার্যকর হবে। বৃহস্পতিবার ফিফা কাউন্সিলের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেখানে কোচিংয়ে নারীদের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার কৌশল নিয়েও আলোচনা হয়েছে। 

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি দলের বেঞ্চে অন্তত দুইজন নারী স্টাফ থাকতেই হবে, যার মধ্যে একজন অবশ্যই প্রধান কোচ বা সহকারী কোচের ভূমিকায় থাকবেন। এই নিয়ম ফিফার যুব ও সিনিয়র—সব ধরনের টুর্নামেন্টে প্রযোজ্য হবে, যার মধ্যে ক্লাব ও জাতীয় দল উভয়ই অন্তর্ভুক্ত।

‘বর্তমানে কোচিংয়ে পর্যাপ্ত সংখ্যক নারী নেই। সুস্পষ্ট পথ তৈরি করা, সুযোগ বাড়ানো এবং সাইডলাইনে নারীদের উপস্থিতি আরও দৃশ্যমান করে তোলা- এসব পরিবর্তন আনতে আমাদের আরও কাজ করতে হবে।’- নতুন নিয়ম নিয়ে ফিফার প্রধান ফুটবল কর্মকর্তা জিল এলিস।

গত ২০২৩ নারী বিশ্বকাপে ৩২টি দল অংশ নিলেও সেখানে মাত্র ১২টি দলের প্রধান কোচ ছিলেন নারী। শুধু তা-ই নয়, বিশ্বকাপ খেলা ছয়টি দলে কোনো নারী কোচই ছিল না-হোক সেটি হেড কোচ কিংবা সহকারী। এমন পরিস্থতিতে বৈষম্য দূর করার পথে হাঁটছে ফিফা।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি