সৌদি আরব থেকে ২ হাজার কোটি টাকার ডিজেল-পেট্রোল কিনছে সরকার

সর্বমোট পঠিত : 31 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, তেলের জাহাজ চট্টগ্রামে পৌঁছানোর ফলে জ্বালানি তেলের ওপর সব বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে। অর্থনীতি যতদিন এই চাপ সহ্য করতে পারবে, ততদিন জ্বালানির দাম বাড়ানো হবে না বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। রাশিয়ার তেল অন্য দেশের মাধ্যমে আনা যায় কি না, সে বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।


সৌদি আরব থেকে জরুরি ভিত্তিতে ডিজেল ও পেট্রোল কিনছে সরকার। রোববার জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

বার্তায় বলা হয়, চুক্তির বাইরে গিয়ে জরুরি ভিত্তিতে সৌদি আরব থেকে ১ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল ও ২৫ হাজার টন গ্যাসোলিন (পেট্রোল) কিনছে সরকার। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার কোটি টাকা।

এদিকে দেশে জ্বালানি তেল বিক্রির ক্ষেত্রে রেশনিং ব্যবস্থা বাতিল করেছে সরকার। সকালে সচিবালয়ে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানান, সাধারণ ভোক্তাদের কাছে জ্বালানি তেল বিক্রি এবং ফিলিং স্টেশনে তেল সরবরাহের সীমা তুলে নেওয়া হয়েছে। তবে রেশনিং প্রত্যাহারের পরেও কাটেনি জ্বালানি সংকট। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, ডিপো থেকে তেল সরবরাহ এখনো স্বাভাবিক হয়নি।

সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, তেলের জাহাজ চট্টগ্রামে পৌঁছানোর ফলে জ্বালানি তেলের ওপর সব বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে। অর্থনীতি যতদিন এই চাপ সহ্য করতে পারবে, ততদিন জ্বালানির দাম বাড়ানো হবে না বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। রাশিয়ার তেল অন্য দেশের মাধ্যমে আনা যায় কি না, সে বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে সরকার রেশনিং পদ্ধতি তুলে নিলেও চট্টগ্রাম নগরীর রিফুয়েলিং স্টেশনগুলোতে এখনো দীর্ঘ সারিতে অপেক্ষা করে জ্বালানি তেল নিতে হচ্ছে গ্রাহকদের। সরবরাহ কম থাকায় এমন পরিস্থিতি বলে জানায় রিফুয়েলিং প্রতিষ্ঠানগুলো। একই চিত্র বরিশাল ও রাজশাহী জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে। আগের মতোই সীমা অনুযায়ী তেল বিক্রি করছে পাম্পগুলো। সর্বোচ্চ ৫০০ টাকার তেল নিতে পারছেন একজন গ্রাহক।

রেশনিং পদ্ধতি উঠিয়ে নেওয়ার বিষয়ে কোনো নির্দেশনা পায়নি তেলের পাম্পগুলো। পাম্প কর্মকর্তারা জানান, ডিপো থেকে তেল সরবরাহ এখনো স্বাভাবিক হয়নি।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি