সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে একটি শান্তিময় বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী

সর্বমোট পঠিত : 31 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

এ সময় তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা আজ সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসেছি, এক কাতারে বসেছি। এটি আমাদের বাংলাদেশের আবহমানকালের ঐতিহ্য। কেউ যেন আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে না পারে। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান। আমরা সবাই মিলে ইনশাল্লাহ একটি শান্তিময় শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ তুলবো একসাথে। সকলের জন্য আমরা গড়ে তুলবো একটি নিরাপদ রাষ্ট্র, একটি নিরাপদ সমাজ। যা প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের কাম্য।’

সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে একটি শান্তিময় বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার সকালে মসজিদের ইমান, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় গুরুদের মাসিক সম্মানী প্রদানের পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। 

এ সময় তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা আজ সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসেছি, এক কাতারে বসেছি। এটি আমাদের বাংলাদেশের আবহমানকালের ঐতিহ্য। কেউ যেন আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে না পারে। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান। আমরা সবাই মিলে ইনশাল্লাহ একটি শান্তিময় শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ তুলবো একসাথে। সকলের জন্য আমরা গড়ে তুলবো একটি নিরাপদ রাষ্ট্র, একটি নিরাপদ সমাজ। যা প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের কাম্য।’

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, মন্দিরের পুরোহিত, সেবায়েত এবং বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষদের মাসিক সন্মানি প্রদান এই অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, মন্দিরের পুরোহিত, বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের মাঝে মাসিক সন্মানি ভাতার চেক তুলে দেন। পরে প্রধানমন্ত্রী আইপাস ব্যাটন চাপ দেওয়ার সাথে সাথে সংশ্লিষ্টদের মোবাইলে চলে যায়।

পাইলট প্রকল্পের প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিটি মসজিদের জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই অর্থ থেকে ইমাম ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম ২ হাজার টাকা করে পাবেন। এছাড়া মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জার জন্য মাসিক ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রধান দায়িত্বশীল ব্যক্তি (পুরোহিত/অধ্যক্ষ/যাজক) পাবেন ৫ হাজার টাকা এবং সহকারী দায়িত্বশীল ব্যক্তি (সেবাইত/উপাধ্যক্ষ/সহকারী পালক) পাবেন ৩ হাজার টাকা।

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ অনুষ্ঠানে সম্মানির পাশাপাশি উৎসব বোনাস প্রদানের ঘোষণাও দেন। তিনি জানান, মসজিদে কর্মরতদের জন্য ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় ১ হাজার টাকা করে বছরে দুইবার বোনাস দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সারা দেশে মসজিদ এবং এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ধর্মীয় সামাজিক এবং নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চায় আমার সরকার। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সরকারের সময় দেশে প্রথমবারের মতো ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি চালু হয়েছিল ১৯৯৩ সালে, যা এখানে একজন আলোচক উল্লেখ করেছেন। ১৯৯৩ সালে বেগম খালেদা জিয়া সরকারের সময় মসজিদভিত্তিক শিশু এবং গণশিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়েছিল।’

‘বর্তমান সরকারও ইমাম মুয়াজ্জিন সাহেবসহ অন্যান্য ধর্মীয় ধর্ম গুরুদের জন্য একটি নির্দিষ্ট হারে সম্মানী ভাতা প্রদানের পাশাপাশি আপনাদেরকে আরো যোগ্যতরভাবে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য, আরো কীভাবে রাষ্ট্রীয় উন্নয়নে আপনাদের প্রতিভাকে ব্যবহার করা যায় সেই পরিকল্পনাও গ্রহণ করার কাজে হাত দিয়েছে।’

পাইলট প্রকল্পটি তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা দেওয়ার যে কর্মসূচি বর্তমান সরকার আপনাদের সরকার চালু করেছে। এই কর্মসূচির অধীনে প্রথম পর্যায়ে পাইলটিং স্কিমের আওতায় মোট ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারে মোট ১৬ হাজার ৯৯২ জন এই মাসিক সম্মানী পাওয়া শুরু করেছেন।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি