শেরপুরে ধানের শীষের এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ জামায়াত কর্মীদের বিরুদ্ধে

সর্বমোট পঠিত : 42 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

এ বিষয়ে শেরপুর সদর থানার ওসি সোহেল রানা বলেন, ঘটনাটি জেনেছি। এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

শেরপুরে বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্টকে পথ আটকিয়ে মারধর ও মোটরসাইকেল ভাংচুর করার অভিযোগ ওঠেছে জামায়াতের কর্মীদের বিরুদ্ধে। ১৪ ফেব্রুয়ারী শনিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়নের হেরুয়া-বালুরঘাটের নামাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত গিয়াস উদ্দিন রাসেল মিয়াকে (৩৫) শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার মাথা, মুখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

গিয়াস উদ্দিন রাসেল শেরপুর-১ (সদর) আসনে হেরুয়া বালুরঘাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকার প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ছিলেন। তিনি দৈনিক ভোরের চেতনার শেরপুর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাসেল অভিযোগ করে বলেন, আমি বিএনপি করি, ধানের শীষের নির্বাচনী এজেন্ট ছিলাম, এ কারণেই আমার ওপর জামায়াতের কর্মী-সমর্থকরা হামলা চালিয়েছে। জামায়াত সমর্থক চরশেরপুর ইউনিয়নের তালুকপাড়া গ্রামের কেরামত, জামাল, সোহেল, মনির ও তার ভাইয়ের নেতৃত্বে ১২/১৩ জন মিলে আমার ওপর এ হামলা চালিয়েছে। 

তিনি বলেন, আমি শহর থেকে কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছিলাম। পথে একটি মোটরসাইকেলে তিনজন ব্যক্তি আমার পিছু পিছু আসছিল। আমি কিছু বুঝে ওঠার আগে নামাপড়া এলাকায় আসার সাথে সাথে সেখানে দাড়িয়ে ছিলো আরও ৮/৯ জনের মত লোক তারা আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। তারা সবাই মিলে আমার ওপর হামলা চালায়। আমি প্রাণ বাঁচাতে একটি দোকানে আশ্রয় নিলে সেখানে গিয়েও আমাকে মারধর করে।

এ ঘটনার শেরপুর সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আকরামুজ্জামান রাহাতসহ বিএনপি নেতারা হাসপাতালে যান। 

সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম বলেন, জামায়াতের এমপি রাশেদুল ইসলাম নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন স্থানে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, ভাংচুর করে আসছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। রাসেলের ওপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি। 

এ ঘটনায় বিএনপির এমপি প্রার্থী ডাঃ সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা প্রতিবাদ জানিয়ে দ্রুত এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানান। 

এ বিষয়ে শেরপুর সদর থানার ওসি সোহেল রানা বলেন, ঘটনাটি জেনেছি। এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি