সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাঞ্জাব। প্রদেশটির রবি, সুতলজ, চেনাব ও সিন্ধু নদীর পানি বাড়ায় বহু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পাকিস্তানের আবহাওয়া অধিদপ্তর জিবি ও কেপিতে পাহাড় ধস, ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যার সতর্কতা জারি করেছে।
পাকিস্তানে প্রবল বৃষ্টিপাত ও বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ২৩৪
বন্যায় প্লাবিত হয়েছে বিভিন্ন এলাকা। ছবি: রয়টার্স
প্রাণহানির মধ্যে পাঞ্জাবে ১৩৫ জন, খাইবার পাখতুনখাওয়ায় (কেপি) ৫৬ জন, সিন্ধে ২৪ জন ও বেলুচিস্তানে ১৬ জন। আর আজাদ কাশ্মীরে দুজন ও ইসলামাবাদে একজনের মৃত্যু হয়েছে। গিলগিট-বালতিস্তান (জিবি) প্রদেশে ক্ষয়ক্ষতি হলেও প্রাণহানির খবর জানা যায়নি। দেশজুড়ে আহতের সংখ্যা ৫৯৬ জন। এ ছাড়া ২০৩টি গবাদিপশু মারা গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শত শত বাড়িঘর।
প্রবল বর্ষণে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলে কেপি ও জিবির বিভিন্ন জেলায় ঘরবাড়ি ভেসে গেছে, আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে নদীর পানি। গিলগিট-বালতিস্তানের কয়েকটি এলাকায় পাহাড়ি ঢলে ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সড়ক ও সেতু। বাবুসার হাইওয়ে ও দেওসাইয়ে আটকা পড়া ২৫০ জন পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনো ১০ থেকে ১৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাঞ্জাব। প্রদেশটির রবি, সুতলজ, চেনাব ও সিন্ধু নদীর পানি বাড়ায় বহু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পাকিস্তানের আবহাওয়া অধিদপ্তর জিবি ও কেপিতে পাহাড় ধস, ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যার সতর্কতা জারি করেছে।
এদিকে মৃতদের প্রতি শোক জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। নিখোঁজদের সন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণসহ বিভিন্ন জরুরি সহায়তার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নিতে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন শাহবাজ।
এরই মধ্যে দুর্গতদের সহায়তায় বসানো হয়েছে ত্রাণ ও চিকিৎসা শিবির। বিতরণ করা হচ্ছে খাবার ও বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী।
মন্তব্য