শাবিতে অনশনরত ২০ শিক্ষার্থী হাসপাতালে

অনশনরত ২০ শিক্ষার্থী হাসপাতালে
সর্বমোট পঠিত : 113 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

এদিকে সন্ধ্যায় উপাচার্যের বাসভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করায় নিন্দা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি। নিন্দা জানিয়ে তারা বলেন, শিক্ষক সমিতি এই ধরনের কোনো কর্মকাণ্ড একেবারেই সমর্থন করে না এবং আন্দোলনকারী সব ধরনের সহিংসতা কর্মকাণ্ড পরিহার করবে বলে আশা করেন।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবি) উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে অনশনরত শিক্ষার্থীদের এখন ২০ জন হাসপাতালে ভর্তি আছে। এদিকে কার্যত অবরুদ্ধ অবস্থায় আছেন উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

গত বুধবার দুপুর দুইটা ৫০ মিনিট থেকে এ পর্যন্ত অনশন করার ২৩ শিক্ষার্থী সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এরমাঝে গতকাল থেকে গণ অনশনে নতুন করে আরও ৫ জন শিক্ষার্থী অনশনে বসেছে। এনিয়ে বর্তমানে মোট ২৮ জন শিক্ষার্থী অনশন করছেন। এই অনশনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বর্তমানে ২০ জন শিক্ষার্থী এখন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

এদিকে শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশি হামলার পরে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা গত ১৭ জানুয়ারি থেকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিলে তিনি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে থাকে। এর মাঝে গতকাল আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে শিক্ষক সমিতির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে চারটি ধাপ উল্লেখ করেন৷ উপাচার্যের পদত্যাগের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেন, উপাচার্যের পদত্যাগের বিষয়টি সরকারের এখতিয়ার ভুক্ত, এক্ষেত্রে অতি দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

এদিকে সন্ধ্যায় উপাচার্যের বাসভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করায় নিন্দা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি। নিন্দা জানিয়ে তারা বলেন, শিক্ষক সমিতি এই ধরনের কোনো কর্মকাণ্ড একেবারেই সমর্থন করে না এবং আন্দোলনকারী সব ধরনের সহিংসতা কর্মকাণ্ড পরিহার করবে বলে আশা করেন।

রোববার শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে মানবপ্রাচীর তৈরি করেছে। মানব প্রাচীরের সামনে উপাচার্যের বাসভবনের গেইটে সামনে প্রথম থেকে পুলিশ অবস্থান করছে। এর আগে শিক্ষার্থী সংবাদ সম্মেলনে করে নাফিজা আনজুম নামের আন্দোলনরত শিক্ষার্থী বলেন, পরিস্থিতি যেভাবে এগুচ্ছে, এতে আমাদের বাধ্য করা হচ্ছে আরো কঠোর কর্মসূচির দিকে যেতে। তারা বলেছিল ভিসির বাসভবনে কেবল পুলিশ এবং গণমাধ্যম কর্মী ছাড়া কেউ ঢুকতে পারবে না। ভবিষ্যতে তারা ভিসির বাসভবনের জরুরি পরিসেবা বন্ধ করতে বাধ্য হবেন। 

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি