পর্যটনের উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চায় সরকার- বন ও পরিবেশ মন্ত্রী 

পর্যটনের উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চায় সরকার- বন ও পরিবেশ মন্ত্রী 
সর্বমোট পঠিত : 29 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

বন, পরিবেশ ও জলবায়ু আব্দুল আওয়াল মিন্টু মন্ত্রী বলেন, পর্যটন উন্নয়নে হাতির ভূমিকা অন্যতম। হাতিকে কেন্দ্র করে পর্যটন গড়ে তোলা হলে এ এলাকার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। হাতি যেখানে ভালো থাকবো, সেখানে বনও ভালো থাকবে। এশিয়া মহাদেশের মধ্যে ১৩টি দেশে হাতি রয়েছে। এসব হাতি সংরক্ষণ করা আমাদের কর্তব্য রয়েছে। হাতি মানুষের মধ্যে যে দ্বন্দ্ব রয়েছে তা আমরা নিরসনের উদ্যোগ নেবো। আমাদের লোকবল কম, হাতি বিপন্ন জাতি, কিন্তু হাতি পরিবেশের জন্য সহায়ক। পরিবর্তনের সাথে আমাদেরও পরিবর্তন হতে হবে। 

চাকরির ক্ষেত্র তৈরি করা খুব কঠিন, তাই পর্যটনের উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চায় সরকার। এজন্য সাফারি পার্ক, মধুটিলা ইকোপার্কসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থানসমুহে পর্যটনের উন্নয়নের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে বলে বক্তব্য রেখেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন  মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আব্দুল আওয়াল মিন্টু।

১০ অক্টোবর গারো পাহাড়ের মধুটিলা ইকোপার্কে মন্ত্রী আব্দুল আওয়াল মিন্টু শেরপুরে মানুষ হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম, গণমাধ্যমকর্মী ও হাতি সংরক্ষণে নিবেদিত স্বেচ্ছাসেবীদের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।  জেলা প্রশাসন ও ময়মনসিংহ বন বিভাগ এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। 

জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ফাহিম চৌধুরী, প্রধান বনসংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী, পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম।  অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষন অঞ্চলের বন সংরক্ষক মো: সানাউল্যাহ পাটওয়ারী, কেন্দ্রীয় অঞ্চলের বন সংরক্ষক এএসএম জহির উদ্দিন আকন, ময়মনসিংহ বিভাগীয় বনকর্মকর্তা নূরুল করিম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল মালেকসহ এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী ও হাতি সংরক্ষণে নিবেদিত স্বেচ্ছাসেবীরা। 

বিকেল সারে ৪ টার দিকে জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলায় অনুরূপ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। এসময় স্থানীয় সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেলসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। 

সমাবেশে বক্তারা গারো পাহাড়ের হাতি মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনসহ বন্যপ্রাণী ও মানুষের নিরাপদ অবস্থানের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য দাবি জানান। বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য গড়ে তোলার জন্য অনুরোধ করা হয়। একইসাথে গারো পাহাড়কে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্যও দাবী তোলা হয়।

অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও রেসপন্স টিমের মধ্যে চেক ও হাতি তাড়ানোর যন্ত্রপাতি বিতরণ করেন। এর আগে মন্ত্রী গারো পাহাড়ের হাতির যাতায়াতের জায়গা ও গারো পাহাড়ের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। 

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি