তাওয়াকুচা বিজিবি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার হাবিলদার মুস্তাফিজুর রহমান বলেন- আজ সকালে সীমান্ত এলাকায় দুইজনকে পাওয়া যায়। আমরা তাদের ভারতের সীমানায় রেখে এসেছি। বর্তমানে তারা ১০৯৭ নম্বর পিলারের পাশে অবস্থান করছে। সীমান্তে মানব পাচারসহ সব ধরনের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে আমরা সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছি।
ভারত থেকে অনুপ্রবেশের সময় বিজিবির বাধায় শূণ্য রেখায় ২জন
শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার রানিশিমুল ইউনিয়নের খারামুরা সীমান্ত এলাকায় মানব পাচারকারী চক্রের মাধ্যমে দুইজন বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেন। তবে বিজিবির বাধায় তারা বর্তমানে নো ম্যান্সল্যান্ডে অবস্থান করছেন।
সোমবার (২৯ জুন) সকালে ঝিনাইগাতী উপজেলার আওতাধীন তাওয়াকুচা বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় মানবপাচারকারীরা ওই দুইজনকে বাংলাদেশে পাঠানো হয়।
তাওয়াকুচা ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার হাবিলদার মুস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা সকাল ৯টা ২০ মিনিটে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের (৩৯ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ শেরপুর সীমান্তে মেইন পিলার (এমপি) ১০৯৭-এর পাশ দিয়ে তাদের বাধা দিয়ে ভারতের দিকে ফেরত পাঠায়। বর্তমানে তারা ভারতীয় কাঁটাতারের বেড়া ও সীমান্ত পিলারের মাঝামাঝি শূণ্য রেখায় এলাকায় অবস্থান করছেন।
বিজিবি থেকে জানা যায়, মানবপাচারকারীদের মাধ্যমে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা ওই দুই ব্যক্তির পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেদের যশোরের বাসিন্দা বলে দাবি করলেও কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেনি।
স্থানীয় বাসিন্দা টুটুল বলেন- দুইজন ব্যক্তি রোববার সন্ধ্যা থেকেই কাঁটাতারের বেড়ার পাশে অবস্থান করছিল। সকালে তারা বাংলাদেশের ভেতরে ঢুকে পড়ে। পরে বিজিবি তাদের আবার সীমান্তের ওপারে পাঠিয়ে দেয়। বর্তমানে তারা পিলারের পাশে শূণ্য রেখায় রয়েছে।
তাওয়াকুচা বিজিবি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার হাবিলদার মুস্তাফিজুর রহমান বলেন- আজ সকালে সীমান্ত এলাকায় দুইজনকে পাওয়া যায়। আমরা তাদের ভারতের সীমানায় রেখে এসেছি। বর্তমানে তারা ১০৯৭ নম্বর পিলারের পাশে অবস্থান করছে। সীমান্তে মানব পাচারসহ সব ধরনের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে আমরা সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছি।
সীমান্ত এলাকায় মানব পাচারের মাধ্যমে অনুপ্রবেশের এ ধরনের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
মন্তব্য