বেসরকারিভাবে বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল

সর্বমোট পঠিত : 54 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও শেরপুর-৩ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, পোস্টাল ব্যালট ছাড়া এ আসনে মোট ভোট পড়েছে ৫২ শতাংশ। এ আসনে মোট ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২লাখ ১৫ হাজার ৭৩৪জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ধাপে ধাপে ফলাফল সংগ্রহের পর তা ঘোষণা করা হয়। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। 

জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে স্থগিত থাকা  শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটগ্রহণ শেষে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্রগুলোতে গণনা শুরু হয়। মোট ১২৮ কেন্দ্রের মধ্যে সকল কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। ১০ এপ্রিল সকাল ১১ টায় সরকারিভাবে চুরান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হবে বলে জানান জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। 

প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল ১লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাসুদুর রহমান পেয়েছেন ৪৭হাজার ৫১ ভোট। এর মধ্যে কাচি মার্কা মিজানুর রহমান ৪৮০ভোট।

শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও শেরপুর-৩ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, পোস্টাল ব্যালট ছাড়া এ আসনে মোট ভোট পড়েছে ৫২ শতাংশ। এ আসনে মোট ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২লাখ ১৫ হাজার ৭৩৪জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ধাপে ধাপে ফলাফল সংগ্রহের পর তা ঘোষণা করা হয়। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। 

তিনি বলেন, নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে অংশগ্রহণমুলক হয়েছে। ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্যে ভোটগ্রহণ হয়। দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনাছাড়া নির্বাচন সম্পুর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বড় কোন ধরনের ঘটনা ঘটেনি। আর জামায়াতের প্রার্থীর ভোট বর্জনের কথা আমাকে লিখিতভাবে জানাইনি। তারা মৌখিকভাবে যা অভিযোগ করেছে আমি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। সুস্ঠু নির্বাচনকে বিতর্কিত করার জন্য জামায়াত ভোট বর্জনের ঘটনা ঘটিয়েছে। এ নির্বাচন অবাধ এবং সুষ্ঠু হয়েছে। জনগন এ নির্বাচন নিয়ে আনন্দিত।

নির্বাচন অফিসের তথ্যে জানা গেছে, এ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাচন কমিশনের ১৮ জন পর্যবেক্ষক, ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাচনী অনুসন্ধান (ইনকোয়ারি) কমিটির ৩ জন যুগ্ম জেলা জজ দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর ৮টি মোবাইল টিমে ২০০-এর বেশি সদস্য, ১৬ প্লাটুন বিজিবি, র‍্যাবের ১৪টি টিম এবং পুলিশের প্রায় ১১৫০ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিলো। সীমান্তবর্তী শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা রয়েছে। এখানে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটারের জন্য ১২৮টি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিলো। 

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি