এ ব্যাপারে কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজ বলেন, ‘সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাচ্চু মিয়ার নিহত হওয়ার বিষয়টি আমরা নিশ্চিত হয়েছি। বাচ্চু মিয়ার বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রীর হাতে ১৫ হাজার টাকা তাৎক্ষণিক দিয়ে এসেছি। এছাড়াও ওই পরিবারের প্রয়োজনীয় সকল সরকারি অনুদান দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’
‘অন্তত ছেলের শরীরের দুইটা হাড্ডি হলেও আমাকে যেন সরকার এনে দেয়’
‘আমার ছেলের সম্পূর্ণ মরদেহ না হোক, অন্তত তার শরীরের দুইটা হাড্ডি হলেও আমাকে যেন সরকার এনে দেয়। আমরা খুব গরিব মানুষ। অনেক কষ্ট করে ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছি। এখন ছেলের বউ এবং নাতিদের নিয়ে আমি কী করব, কী খাব। সরকার যেন আমাদের খোঁজ-খবর নেয়।’—কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাচ্চু মিয়ার মা ফাতেমা আক্তার।
সোমবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিহত বাচ্চুর মা ফাতেমা আক্তার বাড়ির উঠানে ছেলের শোকে আহাজারি করছেন। শোকে নীরব হয়ে মাটিতে বসে আছে বাচ্চু মিয়ার স্ত্রী ও সন্তানেরা। আশপাশের এলাকার মানুষজন তাদের সান্ত্বনা দিচ্ছেন।
গতকাল রোববার ইফতারের আগ মুহূর্তে সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে আল তোয়াইক বলদিয়া কোম্পানির একটি শ্রমিক ক্যাম্পে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হন বাচ্চু মিয়া। নিহত বাচ্চু মিয়া কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলার ফেকামারা গ্রামের রইস উদ্দিনের ছেলে। এ ঘটনায় পুরো গ্রামে বইছে শোকের মাতম।
এ ব্যাপারে কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজ বলেন, ‘সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাচ্চু মিয়ার নিহত হওয়ার বিষয়টি আমরা নিশ্চিত হয়েছি। বাচ্চু মিয়ার বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রীর হাতে ১৫ হাজার টাকা তাৎক্ষণিক দিয়ে এসেছি। এছাড়াও ওই পরিবারের প্রয়োজনীয় সকল সরকারি অনুদান দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’
মরদেহ দেশে আনার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ চলমান রয়েছে বলেও জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
মন্তব্য