এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ অণুপসিংহ বলেন, ফলনে খরচ কম হওয়ায় ও দামে অধিক লাভজনক হওয়ায় পতিত জমি গুলোতে মিষ্টি আলুচাষে ঝুকছে চরাঞ্চলের কৃষকেরা। মিষ্টি আলু মৌসুমে উপজেলা কৃষিঅফিস থেকে সার্বক্ষনিক কৃষকদের পরামর্শ ও সহায়তা দেয়া হয়।
সরিষাবাড়ীতে মিষ্টি আলুর বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে মিষ্টি আলুর বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় প্রতি বিঘা জমিতে একশো মণের উপর মিষ্টিআলু উৎপাদন হয়েছে বলে জানাগেছে। আলুর বাম্পার ফলন হওয়ার পাশাপাশি বাজার দর ভালো হওয়ায় কৃষকের মুখে তৃপ্তির হাসি।
বৃহঃবার সরেজমিনে ও কৃষকদের সূত্রে জানাযায়, উপজেলার কামরাবাদ, ভাটারা, সাতপোয়া, পোগলদিঘা, আওনা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে এ বছর ৬৫০ হেক্টর জমিতে মিষ্টি আলুর চাষ করা হয়। মিষ্টি আলু অবহেলিত ফসল হলেও উপজেলায় বড় পরিসরে চাষাবাদ করা হয়। বিশেষ করে চরাঞ্চলের পতিত জমি, নদীর ধারের জমি গুলোতে এই আলু চাষ করা হয়। উপশী হাইব্রিড জাতের মিষ্টি আলু চারা রোপনের ৯০ দিনের মধ্যেই তোলা যায়। প্রতি বিঘা জমিতে ২০-২৫ হাজার টাকা খরচ করে একশো মণের বেশী মিষ্টিআলু উৎপাদন হয়। কৃষকরা অন্য কোন ফসল আবাদ করে এতো লাভ পাননা।
স্থানীয় কৃষি অফিস সুত্রে জানাযায়, উপজেলার ধারাবর্ষা, বড়বাড়ীয়া, কান্দারপাড়া, সৈয়দপুর, বয়েসিং, পাখাডুবি, মোহনগঞ্জ, কাশারীপাড়া, ফুলবাড়িয়া, পারপাড়া, গোপীনাথপুর, কৃষ্টপুর, চর হরিপুর, আওনা, পোগলদিঘাসহ বিভিন্ন এলাকার চরাঞ্চলে মিষ্টিআলুর চাষ করা হয়। বড় ব্যবসায়ীরা মিষ্টিআলু বস্তায় ভরে ট্রাকে করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ে যায়। মিষ্টি আলুর লতা-গাছ গবাদি পশুরখাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ অণুপসিংহ বলেন, ফলনে খরচ কম হওয়ায় ও দামে অধিক লাভজনক হওয়ায় পতিত জমি গুলোতে মিষ্টি আলুচাষে ঝুকছে চরাঞ্চলের কৃষকেরা। মিষ্টি আলু মৌসুমে উপজেলা কৃষিঅফিস থেকে সার্বক্ষনিক কৃষকদের পরামর্শ ও সহায়তা দেয়া হয়।
মন্তব্য