তফসিলের পর হত্যার শিকার ১৫ নেতা-কর্মী: টিআইবির প্রতিবেদন

সর্বমোট পঠিত : 19 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড অনুপস্থিত। নির্বাচনে সহিংসতার ঝুঁকি রয়েছে। মব সন্ত্রাসকে নিয়ন্ত্রণ ও নির্বাচনী সহিংসতা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে বলে মনে করি।’

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর ৩৬ দিনে সারা দেশে অন্তত ১৫ জন রাজনৈতিক নেতা-কর্মী হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। আজ সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ‘কর্তৃত্ববাদ পতন পরবর্তী দেড় বছর’ শিরোনামে গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।

টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী দেখা যায়, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর ৩৬ দিনে সারা দেশে অন্তত ১৫ জন রাজনৈতিক নেতা-কর্মী হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। ২০২৫ সালে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ৪০১টি, নিহত ১০২ জন, অস্ত্র নিখোঁজ ১ হাজার ৩৩৩টি, সংখ্যালঘুদের ওপর ৫০টির বেশি হামলার ঘটনা।

গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড অনুপস্থিত। নির্বাচনে সহিংসতার ঝুঁকি রয়েছে। মব সন্ত্রাসকে নিয়ন্ত্রণ ও নির্বাচনী সহিংসতা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে বলে মনে করি।’

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক জানান, এবার নির্বাচনের দায়িত্ব পালনকারী মোট জনবলের ৯ থেকে ১০ শতাংশ পুলিশ, যা সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের ক্ষেত্রে বড় ঘাটতি। মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিশেষ করে গত তিনটি নির্বাচন দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের বাদ দেওয়া, উপদেষ্টাদের দলীয়করণ এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মাঝে সংশয় দেখা দিয়েছে।

ইফতেখারুজ্জামান আরও জানান, ৪৬টি আসনের সীমানা পুননির্ধারণ নিয়ে অসন্তোষ-উচ্চ আদালতে অন্তত ২৭টি রিট আবেদন দাখিল। প্রায় ১২ হাজার ৫৩১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের অনুপযোগী। নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রাথমিকভাবে বাছাই করা ৭৩টি পর্যবেক্ষক সংস্থার অনেকগুলোই নামসর্বস্ব বা সক্ষমতাহীন।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি