রেল চলবে চাঁদপুর থেকে কক্সবাজারে

সর্বমোট পঠিত : 20 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

১৯৮৫ সালে চাঁদপুর-চট্টগ্রাম রুটে ‘মেঘনা এক্সপ্রেস’ নামে একটি আন্তঃনগর ট্রেন চালু হয়। এরপর থেকে একই রেক (কোচ) দিয়ে ট্রেনটি পরিচালিত হয়ে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে ট্রেন চলাচলে অনেক আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। তবে সেই আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনে।


১৯৮৫ সালে চাঁদপুর-চট্টগ্রাম রুটে ‘মেঘনা এক্সপ্রেস’ নামে একটি আন্তঃনগর ট্রেন চালু হয়। এরপর থেকে একই রেক (কোচ) দিয়ে ট্রেনটি পরিচালিত হয়ে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে ট্রেন চলাচলে অনেক আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। তবে সেই আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনে।

অথচ এটি অন্যতম একটি লাভজনক রুট।
এসব ভাবনাকে সামনে রেখে মেঘনা একপ্রেস ট্রেনকে আধুনিকায়ন এবং ট্রেনটির গন্তব্যস্থল চট্টগাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বর্ধিত করার আবেদন করে ঢাকার চাঁদপুর জেলা সাংবাদিক ফোরাম। আবেদনের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন নতুন দায়িত্ব পাওয়া রেলমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম। তিনি বিষয়টি নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

আজ বুধবার (৭ ফ্রেব্রুয়ারি) রেলের পরিচালক (ট্রাফিক কন্ট্রোল) মো. মিজানুর রহমান জানান, ফোরামের আবেদন রেলমন্ত্রণালয় গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। মেঘনা ট্রেনের পুরনো রেক পরিবর্তন করে অবমুক্ত হওয়া অন্য রেক সংযোজন করা হবে এবং খুব শিগগিরই মেঘনা ট্রেনের রুট কক্সবাজার পর্যন্ত বর্ধিত করা হবে। এছাড়া চাঁদপুর-চট্টগ্রাম রুটের যাত্রী চাহিদার কথা বিবেচনা করে আরও একজোড়া আন্তঃনগর ট্রেন দেয়ার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হবে।

রেল মন্ত্রণালয় থেকে ফোন করে এই অগ্রগ্রতির কথা ফোরামের সাধারণ সম্পাদককে অবহিত করা হয়। মন্ত্রণালয় জানায়, মন্ত্রণলায়ের সিদ্ধান্তের বিষয়টি ফোরামের চিঠির কপিসহ পূর্বাঞ্চল রেলওয়েকে অবহিত করা হবে। এরপর দ্রুতই তা বাস্তবায়ন করা হবে।

এ বিষয়ে ফোরামের সভাপতি মিজান মালিক বলেন, গঠনের পর থেকে ফোরাম চাঁদপুরবাসী এবং চাঁদপুরের মানুষের পাশে থেকেছে। মেঘনা ট্রেনের বিষয়টিও তেমনই একটি উদ্যোগ। চাঁদপুরের মানুষের দুর্দশা লাঘবে আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

ফোরামের সাধারণ সম্পাদক একেএম রাশেদ শাহরিয়ার বলেন, ফোরাম এ পর্যন্ত এ ধরনের অনেক জনবান্ধব উদ্যোগ নিয়েছে। প্রায় সবগুলো উদ্যোগই সফল হয়েছে। যে দু-একটি বিষয় বাকি আছে, সেসবেও সফলতা আসবে।

সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং সেসব যদি জনকল্যাণে হয়, তা কখনো বিফলে যাবে না বলেও মনে করেন তিনি। মেঘনা ট্রেনের বিষয়টি ফোরামের জন্য একটি উজ্জ্বল মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে জানান একেএম রাশেদ শাহরিয়ার।

উল্লেখ্য, চাঁদপুরের নানান সমস্যা সমাধানে ঢাকার চাঁদপুর জেলা সাংবাদিক ফোরাম কাজ করছে। বিশেষ করে অসহায় মানুষের চিকিৎসা সেবা পাওয়ায় সহযোগিতা, ব্রিজ-কালভার্ট সংস্কারে সহায়তা, স্কুল নির্মাণে সহায়তা করেছে এই ফোরাম। চাঁদপুর সেতুর টোল প্রত্যাহার বিষয়ে ফোরাম সক্রিয়ভাবে কাজ করছে বলে জানা গেছে।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি