দ্বাবিংশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব

বাংলাদেশে সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতলেন অঞ্জন দত্ত

সর্বমোট পঠিত : 15 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

৯ দিনব্যাপী দ্বাবিংশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা নেমেছে গতকাল রোববার। ২০ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া উৎসবটির সমাপনী দিন শেষ হয় সেরা সিনেমা নির্বাচন ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে। এ উৎসবে এশিয়ান ফিল্ম কমপিটিশন বিভাগের সেরা সিনেমা হয়েছে চীনের সিনেমা ‘দ্য কর্ড অব লাইফ’। মান্দারিন ভাষার সিনেমাটির নির্মাতা কুইয়াও সিক্সুই।

৯ দিনব্যাপী দ্বাবিংশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা নেমেছে গতকাল রোববার। ২০ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া উৎসবটির সমাপনী দিন শেষ হয় সেরা সিনেমা নির্বাচন ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে। এ উৎসবে এশিয়ান ফিল্ম কমপিটিশন বিভাগের সেরা সিনেমা হয়েছে চীনের সিনেমা ‘দ্য কর্ড অব লাইফ’। মান্দারিন ভাষার সিনেমাটির নির্মাতা কুইয়াও সিক্সুই।

মৃণাল সেনকে নিয়ে ‘চালচিত্র এখন’ সিনেমা বানিয়েছেন অঞ্জন দত্ত। তিনি নিজেই ‘চালচিত্র এখন’ সিনেমায় মৃণাল সেনের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। চরিত্রটিতে অনবদ্য অভিনয় করে সেরা অভিনেতা হয়েছেন। সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন শাওন চক্রবর্তী, সুপ্রভাত দাস, বিদীপ্তা চক্রবর্তী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে অঞ্জন দত্তর হাতে পুরস্কার তুলে দেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। পুরস্কার গ্রহণের পর অঞ্জন দত্ত বলেন, ‘এই পুরস্কার পাওয়ায় আমি সম্মানিত বোধ করছি। মৃণালদার প্রতি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ’

‘চালচিত্র এখন’ গত বছর ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হয় কলকাতায়। পুরস্কারও পেয়েছিল সিনেমাটি। ‘চালচিত্র এখন’ সিনেমাটি শুক্রবার ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব চলাকালে দেখানো হয়। সিনেমাটির বাংলাদেশ প্রিমিয়ারের পর পরিচালক অঞ্জন দত্ত সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।  

অঞ্জন দত্ত বলেন, ‘আমি গান লিখেছি, সিনেমা বানিয়েছি, নাটক করেছি কিন্তু মৃণাল সেন কখনোই কাজে আসেনি অর্থাৎ আমার কাজে রিফ্লেক্ট হয়নি। কিন্তু তিনি এমন একজন মানুষ, তাঁর সঙ্গে দীর্ঘদিন থেকে দূর থেকেও চিনেছি। কাউকে দূর থেকে না চিনলে কোনো কাজ করা উচিত নয়। ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে আমি চিনি। তাঁকে নিয়ে দীর্ঘ একটা সময় ধরে গল্প লিখছিলাম। এর মধ্যেই শতবর্ষ উদযাপন চলে এল। আমার ভেতর থেকে মনে হলো, কিছু না করলে অন্যায় হবে। তখন শুরু হলো গল্পের কাজ। একসময় আমি গল্পটি পেয়ে গেলাম। ’ 

তিনি বলেন, সিনেমাটিতে উঠে এসেছে, অঞ্জন কাছ থেকে মৃণাল সেনকে কীভাবে দেখতেন, সেই ভাবনা। আরোপিত কোনো কিছু করতে চাননি। চ্যালেঞ্জিং এই সিনেমার নির্মাণ নিয়েও ভাবনায় পড়েন। দীর্ঘ সময় ধরে অভিনেতা খুঁজেছেন। পরে নিজের অর্থায়নেই গুরুকে ট্রিবিউট দেন। কিন্তু মৃণাল সেন মানে বৃহৎ এক অধ্যায়।

অঞ্জন দত্ত আরও বলেন, আমি মৃণাল সেনকে পুজো করিনি এই সিনেমায়। একটা মানুষ হিসেবে দেখিয়েছি। তিনি কতটুকু মজার মানুষ, তাঁর জীবনযাপন কেমন ছিল, তাঁর অভ্যাস- খুঁটিনাটি বিষয়গুলো উঠিয়ে এনেছি। এসবই আমার কাছ থেকে দেখা।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি