‘বুদ্ধিকে মোহমুক্ত করতে সর্বাগ্রে প্রয়োজন বিজ্ঞান চর্চা’

সর্বমোট পঠিত : 38 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ বলেছেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বিজ্ঞানী আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসুর মধ্যে ছিল প্রগাঢ় বন্ধুত্ব। এ বন্ধনের সূত্র ধরেই রবীন্দ্রনাথ বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ পাঠে মনোনিবেশ করেন। ১৯৩৭ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচিত বিজ্ঞানভিত্তিক প্রবন্ধ সংকলন ‘বিশ্বপরিচয়’ গ্রন্থে উল্লেখ করেন, ‘বুদ্ধিকে মোহমুক্ত করতে সর্বাগ্রে প্রয়োজন বিজ্ঞান চর্চা’। আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের এ যুগে ও বৈশ্বিক প্রক্ষাপটে এর যথার্থতা নিঃসন্দেহে প্রতীয়মান হয়।


সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ বলেছেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বিজ্ঞানী আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসুর মধ্যে ছিল প্রগাঢ় বন্ধুত্ব। এ বন্ধনের সূত্র ধরেই রবীন্দ্রনাথ বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ পাঠে মনোনিবেশ করেন। ১৯৩৭ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচিত বিজ্ঞানভিত্তিক প্রবন্ধ সংকলন ‘বিশ্বপরিচয়’ গ্রন্থে উল্লেখ করেন, ‘বুদ্ধিকে মোহমুক্ত করতে সর্বাগ্রে প্রয়োজন বিজ্ঞান চর্চা’। আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের এ যুগে ও বৈশ্বিক প্রক্ষাপটে এর যথার্থতা নিঃসন্দেহে প্রতীয়মান হয়।

বুধবার (২৯ নভেম্বর) বিকালে রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর-এর কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে জাদুঘর আয়োজিত ‘স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু মুক্ত দর্শনের বিজ্ঞানী’ শীর্ষক সেমিনার ও আলোচনা সভা ২০২৩-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর পর্ষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ডা. সৌমিত্র চক্রবর্তী। আলোচনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক মনিরুজ্জামান খন্দকার। সেমিনারে স্বাগত বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর এর মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর-এর শিক্ষা অফিসার সাইদ সামসুল করীম।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি