কৃষিতে যন্ত্রের ব্যবহারে কমেছে খরচ, বেড়েছে উৎপাদন


নিউজ ডেস্ক:
চারা রোপন থেকে শুরু করে ফসল কাটা পুরো প্রক্রিয়াই সম্পন্ন হয়েছে যন্ত্রের মাধ্যমে। ফলে খরচ কমেছে, বেড়েছে ফসলের উৎপাদনও।

কৃষিতে যন্ত্রের ছোঁয়া। কম্বাইন হারভেস্টারের মাধ্যমে চলছে ফসল কাটা। একেকটি হারভেস্টার যন্ত্র দিয়ে প্রতি ঘন্টায় প্রায় এক একর জমির ধান কাটা সম্ভব। ফলে ধান কাটা-মাড়াইয়ের অনেক টাকার সাশ্রয় হচ্ছে কৃষকের।

জেলার তারাগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম রহিমাপুর গ্রামে একই প্লটে ৭৮ জন কৃষকের ৫০ একর জমিতে সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়েছে সার, বীজ ও বালাইনাশক। ট্রেতে চারা রোপন থেকে শুরু করে ধান কাটা সবই হয়েছে যন্ত্রের মাধ্যমে। আধুনিক এই চাষ পদ্ধতিতে আগের তুলনায় উৎপাদনও বেড়েছে, ফলে খুশি কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তা।

কৃষকরা জানান, কম্বাইন হারভেস্টারের মাধ্যমে ফসল কাটায় জমি থেকে রাস্তার মধ্যে ধান পাওয়া যাচ্ছে। এটা অনেক ভালো একটা পদ্ধতি।

রংপুরের তারাগঞ্জের কৃষি কর্মকর্তা উর্মি তাবাসসুম বলেন, ‘এই পদ্ধতির মাধ্যমে বোরো মৌসুমে আমাদের শ্রমিক সংকট দুর হচ্ছে এবং উৎপাদন খরচ কম হচ্ছে। পাশাপাশি সময়টাও কম লাগছে।’

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে কৃষিকে সহজ, লাভজনক ও আধুনিক করতেই কৃষিতে যান্ত্রিকীকরণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রংপুর কৃষি সস্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. ওবায়দুর রহমান মন্ডল বলেন, ‘এই সবকিছু আমরা সরকারি প্রণোদনা থেকেই করে দিচ্ছি। এতে কৃষকদের উৎপাদন খরচ কম হবে এবং লাভ বেশি হবে।’

সরকারের এমন উদ্যোগ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা। জেলা প্রশাসক আসিব আহসান বলেন, ‘উৎপাদন খরচ কমার পাশাপাশি কৃষিপণ্য নষ্টও হচ্ছেনা এবং কৃষক এই পণ্য ভালোমূল্যে বাজারে বিক্রি করার একটি সুযোগ পেয়েছে।’

Top
ঘোষনাঃ