অনলাইনে আমের বেচাকেনা বেড়েছে


নিউজ ডেস্ক:
করোনায় হাটবাজারে ক্রেতার উপস্থিতি কম থাকায় এ বছর রাজশাহী থেকে অনলাইনে আমের বেচাকেনা নিয়ে তৎপরতা বেড়েছে বিক্রেতাদের। তবে অনলাইনের ক্রেতাদের অভিযোগ এ ক্ষেত্রে মানা হচ্ছে না প্রশাসনের নির্ধারিত আম নামানোর সময়সীমা।

নির্ধারিত সময়ের আগেই আম দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন অনলাইন বিক্রেতারা। ফল গবেষকদের মতে, বিক্রেতাদের এমন আচরণ নষ্ট করবে রাজশাহীর আমের সুনাম। নিয়মের ব্যত্যয় হলে ছাড় দেয়া হবে না হুঁশিয়ারি জেলা প্রশাসনের।

রাজশাহীর বাগানগুলোতে থোকায় থোকায় ঝুলছে আম। জেলার ১৮ হাজার হেক্টরের আমবাগান থেকে নেমেছে অনেকটা জাতবিহীন গুটি আম। আস্তে আস্তে পরিপক্ব হয়ে উঠছে গোপালভোগ, মোহনভোগ, হিমসাগর, খিরসাপাতের মতো জনপ্রিয় সুস্বাদু জাতের আম। এ ছাড়া ৬ জুন ল্যাংড়া, ১৫ জুন আম্রপালি ও ফজলি আম নামবে।

তবে অনলাইনে বিক্রেতারা চটকদার বিজ্ঞাপনে নির্ধারিত সময়ের মাসখানেক আগেই জনপ্রিয় জাতের আম দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে ক্রেতাদের। তাতে করোনায় হাটবাজারে আসতে না পারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ক্রেতারা পড়ছেন বিপাকে। বিভ্রান্তিতে আমের প্রকৃত বিক্রেতারাও।

এ অবস্থায় রাজশাহীর আমের সুনাম রক্ষায় অনলাইন বিক্রেতাদের মনিটরিংয়ের আওতায় আনার পরামর্শ রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রপ্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আলীম উদ্দিনের।

অবশ্য জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল জলিল বলছেন, পরিপক্বতার আগে আম বিক্রি করা হলে হাট-বাজারের মতো অনলাইন বিক্রেতাদেরও আইনের আওতায় নেয়া হবে।

চলতি মৌসুমে রাজশাহীর বাগান থেকে সোয়া দুই লাখ মেট্রিক টন আমের উৎপাদন আশা করছে কৃষি বিভাগ।

Top
ঘোষনাঃ