স্পোর্টস ডেস্ক:
আজ বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা প্রথম ওয়ানডে। হোম সিরিজ বলেই নিজেদের ফেবারিট বলছেন, হেডকোচ রাসেল ডমিঙ্গো।

বিপরীতে ফলাফল চিন্তা না করে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলার ঘোষণা লঙ্কার নয়া ক্যাপ্টেন কুশাল পেরেরার। মিরপুর শের-ই বাংলায় তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচ শুরু বেলা একটায়।

ক্রিকেট মানেই ব্যাটিং-বোলিং। তবে, ঐ দুইয়ের সমান গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু ফিল্ডিং। রঙিন পোশাকে যা হয়ে যেতে পারে গেইম চেঞ্জার। আউটফিল্ডে টিম বাংলাদেশের কিছুটা দুর্বলতা আছেই, করোনা বিরতির পর সেটা যেন বেড়েছে কয়েকগুন। সেজন্যই কিনা ম্যাচের আগের দিন ব্যাটিং-বোলিংয়ের চাইতে ফিল্ডিংয়েই মনোযোগ বেশি টাইগার শিবিরের।

ম্যাচ প্রিভিউয়ের প্রেস কনফারেন্সের শুরুটাও টাইগারদের ফিল্ডিং নিয়ে। ভুল থেকে শিক্ষা নেয়া গেছে কিনা জানা যাবে এই সিরিজে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের হেডকোচ রাসেল ডমিঙ্গো বলেন, ‘ক্যাচ নিয়ে আমরা অনেক কাজ করেছি। মাঠের পরিস্থিতি অনেক সময় বোঝা কঠিন। এখানে মূল বিষয়টা হলো, গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সঠিক খেলোয়াড়ই যেন সঠিক জায়গায় থাকে। ফিল্ডিং পুরোটাই আসলে আত্মবিশ্বাসের ওপর নির্ভর করে।’

নির্দিষ্ট এক বিভাগে ব্যর্থতা তো আছেই, সব মিলিয়ে টানা ১০ ম্যাচে জয় নেই বাংলাদেশের। ঘরের মাঠে নামার আগে তাই স্বাগতিক শিবিরে দুশ্চিন্তার ভাজ। অতীত নিয়ে পড়ে থাকতে চাইছেন না ডমিঙ্গো। প্রতিপক্ষ দলে পরীক্ষিত তেমন কেউ না থাকলেও নির্ভার থাকার উপায় কই।

তিনি বলেন, ‘আমরা দুঃসময়ের মধ্যদিয়ে যাচ্ছি, তাতে সন্দেহ নেই। ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হবে, ঘুরে দাড়াতে হবে। সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারলে, বেসিক ঠিক রাখতে পারলে আর পরিকল্পনা কাজে লাগাতে পারলে সাফল্য আসবে।’

প্রথম ম্যাচের একাদশ নিয়ে তেমন কোন আভাস দেননি টাইগার কোচ। তবে সাত নম্বর পজিশনটা নিয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন, সুযোগ পাচ্ছেন না সৌম্য সরকার। খেলতে পারেন মোসাদ্দেক বা শেখ মাহেদি। স্পিনে সাকিব, মিরাজ.. পেস অ্যাটাকে মুস্তাফিজ, তাসিকনের সঙ্গী হিসেবে দেখা যাবে সাইফউদ্দিনকে।

বাংলাদেশে পা রাখার আগেই ভয়ডরহীন খেলার ঘোষণা দিয়েছিলেন লঙ্কান ক্যাপ্টেন। অনুশীলনে ফুরফুরে মেজাজেও সেই বার্তা। দলের পরিবর্তন অনেক.. অভিজ্ঞতায় স্বাগতিকদের চেয়ে বেশ পিছিয়ে। ফল নিয়ে চিন্তা করছে না লঙ্কানরা। নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটাই টার্গেট।

ক’দিন আগে টাইগারদের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জিতে আত্মবিশ্বাস পেয়েছে শ্রীলংকা। মিরপুরের পরিসংখ্যানও তাদের পক্ষেই। ২০১৮ সালে শেষ দুই ম্যাচে পেয়েছিল বড় জয়। মুখোমুখি ৪৮ দেখায়ও ৩৯টাতেই জয় শ্রীলঙ্কার, বাংলাদেশ জিতেছে ৭ ওয়ানডে।

এশিয়ান প্রতিপক্ষদের মধ্যে শুধু শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেই কোনো সিরিজ জয়ের অভিজ্ঞতা নেই বাংলাদেশের। এবার সেই আক্ষেপ ঘোচাতে পারবে তো বাংলাদেশ!

Top
ঘোষনাঃ