সরকারি চাল সংগ্রহ: কালো তালিকাভুক্তরাও সুযোগ চান


নিউজ ডেস্ক:
দাবি অনুযায়ী এবার প্রতি কেজি চালের দাম ৪০ টাকা নির্ধারণ করায় খুশি মিল মালিকরা।

করোনাকালে গত দুই মৌসুমে চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রার ধারে কাছেও যেতে পারেনি কুষ্টিয়া জেলা খাদ্য বিভাগ। সরকারি দরের তুলনায় বাজারে বেশি দামের অজুহাতে বেশিরভাগ মিল মালিক চাল দেয়নি। মিল মালিকদের দাবি অনুযায়ী এবার প্রতি কেজি চাল ৪০ টাকা দাম নির্ধারণ করায় খুশি তারা। আর যেসব মিল মালিক চুক্তি করেও চাল দিতে পারেননি, তারাও সুযোগ চান এবার।

২০২০-২১ সালে আমন ও বোরো মৌসুমে সরকারি চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকও সংগ্রহ করতে পারেনি কুষ্টিয়া জেলা খাদ্য বিভাগ। জেলায় প্রায় ৪ শতাধিক মিল মালিক থাকলেও, সরকারি দর থেকে খোলা বাজারে দাম বেশি হওয়ার অজুহাত দেখিয়ে চুক্তির বাইরে থাকে বেশিরভাগ মিল মালিক। আবার চুক্তি করেও অনেকে চাল দিতে পারেনি।

মিল মালিকদের দাবি মেনে নিয়ে এবার সরকার চালের দর নির্ধারণ করেছে ৪০ টাকা। এতে খুশি তারা। যেসব মিল মালিক চুক্তি করেও চাল দিতে পারেনি, তাদের জামানত ফেরত দেয়ার পাশাপাশি কালো তালিকাভুক্তরাও এবার সুযোগ চান।

বোরোর ফলন ভাল হওয়ায় এবার সরকারি সংগ্রহ সফল হবে বলে মনে করে মিল মালিক সমিতি।

এদিকে, যারা কালো তালিকাভুক্ত, তাদের বিষয়ে সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন কুষ্টিয়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এস এম তাহসিনুল হক।

এ বছর কুষ্টিয়ায় চার হাজার মেট্রিক টন ধান কেনার পাশাপাশি, প্রায় সমপরিমাণ চাল কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

Top
ঘোষনাঃ