খাগড়াছড়িতে জমিতেই নষ্ট হচ্ছে আনারস


নিউজ ডেস্ক:
খাগড়াছড়িতে উৎপাদিত আনারসসহ বিভিন্ন ফল দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যায়। পাহাড়ি ফলের কদর বেশি থাকায় অনেকে ব্যবসায়ী এসব ফল দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যান। তবে চলতি মৌসুমের চিত্রটা উল্টো। লকডাউনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন মৌসুমী ফল ব্যবসায়ী ও কৃষকরা। চাহিদা কম থাকায় কমেছে বিক্রিও। বাগানে নষ্ট হচ্ছে অনেক ফল। এদিকে কৃষিজাত পণ্য বাজারজাতকরণে প্রশাসনের সহায়তা চাওয়ার কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

পরিবহন সংকটের মধ্যেও চাষীরা মৌসুমের এসব ফল বাজারে নিয়ে আসলেও ক্রেতা না থাকায় পরিবহন খরচও উঠছে না। ক্রেতারা বাজারে আসতে না পারায় বিক্রি হচ্ছে না ফল। এতে চাষীদের পাশাপাশি লোকসান গুনছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।

প্রতিবছর খাগড়াছড়ির মহালছড়ি, দীঘনালা, মানকিছড়িসহ বিভিন্ন উপজলোর জমি থেকে অগ্রিম আনারস কিনে নেন ব্যবসায়ীরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বাম্পার ফলন হলেও করোনার প্রভাবে শ্রমিক এবং যানবাহন না পাওয়ায় দেশব্যাপী আনারস বাজারজাত করতে পারছনে না তারা। এতে ক্ষেতেই ফল নষ্ট হচ্ছে। পরিবহন সংকটরে মধ্যে মৌসুমের এ ফল বাজারে নিয়ে আসলেও ক্রেতা না থাকায় পরিবহন খরচও উঠছে না তাদের।

কৃষিজাত পণ্য যাতে নষ্ট হয়ে না যায় তা নিয়ে পদক্ষপে নেওয়ার কথা জানান খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মর্তুজা আলী। সরকারিভাবে বাজারজাতকরণে সম্বনিত উদ্যোগ গ্রহণের চেষ্টা চলছে বলেও জানান এ র্কমর্কতা।

কৃষি বিভিাগের তথ্য মতে, চলতি বছর জেলায় ১২শ ১৮ হেক্টোর জমিতে প্রায় ২৬ হাজার মে. টন আনারস উৎপাদন হয়েছে।

Top
ঘোষনাঃ