সবাইকে কাঁদিয়ে শেরপুরের শিল্পপতি, দানবীর ও শিক্ষানুরাগী ইদ্রিস মিয়া চিরনিদ্রায় শায়িত


শেরপুরের বিশিষ্ট শিল্পপতি দানবীর ও শিক্ষানুরাগী ইদ্রিস গ্রুপ অব কোম্পানীর চেয়ারম্যান মরহুম ইদ্রিস মিয়া সবাইকে কাঁদিয়ে তার প্রতিষ্ঠিত আলহাজ্ব বাবর আলী জামে মসজিদের পাশ্বেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন। আজ ১৩ এপ্রিল তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় শেরপুর শহীদ দারোগ আলী পৌরপার্কমাঠে বেলা আড়াইটায়। এতে হাজার হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এসময় জাতীয় সংসদের হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আতিউর রহমান আতিক, জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি মাহমুদুল হক রুবেল, শেরপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, সাবেক চেয়ারম্যান ইলিয়াছ উদ্দিন, সাবেক পৌরচেয়ারম্যান লুৎফর রহমান মোহন, শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন,  বিশিষ্ট শিল্পপতি আলাহাজ্ব জয়নাল আবেদীন, ইদ্রিস গ্রপঅব কোম্পানীর এমডি জাহাঙ্গীর আলম, শেরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মেরাজ উদ্দিন, ইদ্রিসিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাও: ফজলুর রহমান ও মরহুমের একমাত্র ছেলে তরুন শিল্পপতি গুলজার মোহাম্মদ ইয়াহ ইয়া জিহান বক্তব্য রাখেন এবং মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক, ব্যসায়িক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহন করেন।
পরে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা বিকাল চারটার সময় তার প্রতিষ্ঠিত ইদ্রিসিয়া কামিল মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এতেও হাজার হাজার মানুষ াংশ গ্রহণ করেন এবং চোখের পানিতে তাকে শেষ বিদায় জানান। জানাজাশেষে তাকে তার প্রতিষ্ঠিত আলহাজ্ব বাবর আলী জামে মসজিদের পাশ্বেই দাফন করা হয়।


উল্লেখ্য গতকাল ১২ এপ্রিল সোমবার রাত নয়টায় রাজধানীর ডাঃ আনোয়ার খান মডার্ণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিল্পপতি ইদ্রিস মিয়া ইন্তেকাল করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনী, ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। তিনি সিঙ্গাপুর রানী এলিযাবেথ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের চিকিৎসাধীন ছিলেন। আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া শেরপুরের তার কোম্পানীর প্রধান কার্যালয়সহ বিভিন্ন অফিস পরিদর্শন শেষে শারীরিক অসুস্থতা বেড়ে গেলে ৯ এপ্রিল ঢাকায় চলে যান। পরিস্থিতির অবনতি হলে তাকে ১২ এপ্রিল সকালে ঢাকা ডাঃ আনোয়ার খান মডার্ণ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত নয়টার দিকে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তিনি একমাত্র পুত্র সন্তান, দুই স্ত্রী, নয় মেয়েসহ অনেক গুণগ্রাহী ও বন্ধু বান্ধব রেখে গেছেন।

Top
ঘোষনাঃ