দশ বছর পর কেন্দুয়ায় ছাত্রলীগের কমিটি পেয়ে নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত

দশ বছর পর কেন্দুয়ায় ছাত্রলীগের কমিটি পেয়ে নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত
সর্বমোট পঠিত : 56 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

কেন্দুয়া উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক আব্দুল আউয়াল তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমি আব্দুল আউয়াল পারিবারিক ভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জন্মলগ্ন থেকেই জড়িত। আমার বড় ভাই কেন্দুয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুলকে হত্যা করা হয়েছিল। তার ডাকেই আমি ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত হয়েছিলাম। আমি আমার শরীরের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে কেন্দুয়াতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে লালন পালন করার ওয়াদা করছি।

নেত্রকোনা জেলার ঐতিহ্যবাহী কেন্দুয়া উপজেলা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কমিটি

বঞ্চিত ছিলো প্রায় ১০ বছর। সুষ্ঠু ও দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃত্ব না থাকায়

ঝিমিয়ে পড়েছে ছাত্র রাজনীতি। কমিটিতে স্থান পাওয়ার জন্য যোগ্য ছাত্র

নেতৃবৃন্দ দীর্ঘ ১০ বছর ধরে আওয়ামী লীগের তৃণমূল রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত

থেকে অপেক্ষার প্রহর গুণছিলো। মেধাবী তরুণ উদীয়মান জনবান্ধব ছাত্রলীগ

ওইসব নেতাদের পেয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ছাত্ররা উচ্ছ¡সিত উজ্জীবিত ও

উল্লসিত। এই কমিটি আগামী দিনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

পালন রাখতে পারবে বলে মূল সংগঠনের ত্যাগী নেতৃবৃন্দরা আশাবাদ রাখছেন।


বহুল প্রত্যাশিত ও কাঙ্খিত কেন্দুয়া উপজেলা ছাত্রলীগ, কেন্দুয়া পৌর

ছাত্রলীগ এবং কেন্দুয়া কলেজ শাখার ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটি গত ৫

ডিসেম্বর ২০২২ তারিখে অনুমোদন দেন নেত্রকোণা জেলা ছাত্রলীগ। নতুন কমিটিতে

স্থান পাওয়া কেন্দুয়া উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক নির্বাচিত হন ইখতিয়ার

হোসেন তালুকদার, যুগ্ম আহ্বায়ক হলেন আব্দুল আউয়াল, আপেল মাহমুদ এবং

আনোয়ার হোসেন।  এতে উজ্জেবিত হয়েছে ছাত্র রাজনীতি।


 এছাড়াও কেন্দুয়া পৌর ছাত্র লীগের আহ্বায়ক হয়েছেন ইয়াসিন আলম সোহাগ,

যুগ্ম আহ্বায়ক হলেন রাফিত হোসেন বিজয়, মোঃ মন্জুরুল হক, জীবন চন্দ্র দাস,

সাব্বির আহমেদ সাকিব। কেন্দুয়া কলেজ শাখার ছাত্রলীগের আহ্বায়ক হয়েছেন

প্রিন্স কবীর খান বাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক হলেন হেদায়েতুল্লাহ, রুবেল মিয়া,

রবিন তালুকদার ।


গ্রæপিং রাজনীতি প্রকট আকার ধারণ করায় সাম্প্রতিক কেন্দুয়া উপজেলা আওয়ামী

লীগ দলীয় কোন্দলে জর্জরিত। ১৬ই ডিসেম্বর নবগঠিত কেন্দুয়া উপজেলা

ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটি আনন্দ ও বিজয় মিছিল করে এবং বঙ্গবন্ধুর

প্রতিকৃতিতে ও শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরআগে গত ১০ই ডিসেম্বর

বিএনপির দেশব্যাপী সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কেন্দুয়া ছাত্রলীগ বিক্ষোভ

মিছিল করে।


কেন্দুয়া উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক আব্দুল আউয়াল তার বক্তব্যে

বলেন, ‘আমি আব্দুল আউয়াল পারিবারিক ভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে

জন্মলগ্ন থেকেই জড়িত। আমার বড় ভাই কেন্দুয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক

যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুলকে হত্যা করা হয়েছিল। তার ডাকেই আমি ছাত্রলীগের

রাজনীতির সাথে জড়িত হয়েছিলাম। আমি আমার শরীরের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে

কেন্দুয়াতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে লালন পালন করার ওয়াদা করছি।


আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক আপেল মাহমুদ বলেন, দীর্ঘ ১০ বছর পর রাজনৈতিক পরিচয়

পেয়ে উচ্ছ¡সিত কেন্দুয়া উপজেলার ছাত্রলীগের কর্মীরা। গ্রæপিং রাজনীতি

ভুলে গিয়ে কেন্দুয়া উপজেলা, পৌর এবং কলেজ শাখার ছাত্রলীগের প্রত্যেক

সদস্য কেন্দুয়াতে আসন্ন সাংসদ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নৌকা প্রতীককে বিজয়ী

করার লক্ষ্য নিয়ে সর্বত্মক ভূমিকা পালন করবে ইনশাআল্লাহ।


মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি