শ্রীবরদী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হতে চান ইফতেখার হোসেন কাফি জুবেরী

সর্বমোট পঠিত : 55 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

অনেক জল্পনা কল্পনা শেষে শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১৬ নভেম্বর উপজেলা কমিটির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।


অনেক জল্পনা কল্পনা শেষে শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১৬ নভেম্বর উপজেলা কমিটির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। 

ইতিমধ্যেই প্রস্তুতির কাজ চলছে সম্মেলনকে সফল করতে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রাখছে। দলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দদের সুদৃষ্টি আশীর্বাদ পেতে সম্ভাব্য প্রার্থীরা লবিং করছে নিজ নিজ বলয়ে। দীর্ঘদিন পর ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে বইছে এক অন্যরকম উৎসবের আমেজ। 

কে হচ্ছেন দলের উপজেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এ নিয়ে চলছে  জল্পনা ও কল্পনা। উপজেলা সদরে সম্মেলনকে  ঘিরে শোভা পাচ্ছে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ব্যানার ফেস্টুন।

সম্মেলনকে সামনে রেখে কর্মীবান্ধব নেতা মো ইফতেখার হোসেন কাফি জুবেরী শ্রীবরদী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসাবে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন। তিনি সকলের প্রিয় মুখ। প্রিয় জুবেরী  ভাই নামে পরিচিত। তিনি একজন কর্মীবান্ধব নেতা ও দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা-কর্মীদের আশা ভরসার আশ্রয়স্থল। তার কাছে দলের সকল নেতা-কর্মীসহ আওয়ামী ঘরানার সকল স্তরের ভোটার মনের কথা ব্যক্ত করে থাকেন। এজন্য সকল পর্যায়ে তার জনপ্রিয়তা ঈর্ষণীয়। তিনি দীর্ঘদিন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগসহ সহযোগি ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পদে থেকে দলকে সু-সংগঠিত করে চলেছেন। 

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি রাজধানী ঢাকার ছাএলীগ গুলশান শাখার সহ সভাপতি, নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, রংপুর ও শেরপুর জেলা ছাত্রলীগের সদস্য, সাবেক যুগ্ন আহবায়ক ৭৪ নং ( বাড্ডা) সহসভাপতি ৫৮ নং ওয়াড ( রামপুরা), সাবেক সদস্য ঢাকা মহানগর যুবলীগ, ১৯৯২ সাল থেকে অদ্যবধি তিনি কাকিলাকুড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

শ্রীবরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক তথ্য গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ,২ বারের উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য। 

শেরপুর জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহব্বায়ক ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন। শেরপুর জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। 

তিনি একমাত্র ব্যক্তি যিনি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার প্রতিবাদে ৩৪ বছর মাছ মাংস বর্জন করেছিলেন। 




মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি