মুই আর চলাফেরা করবার পারিনা বাহে বৃষ্টি আসলেই ঘর ভরে যায় পানিতে

সর্বমোট পঠিত : 58 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

একটি ঘরের জন্য-মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বৃদ্ধ মা ও প্রতিবন্ধী ফাতেমার আবেদন। গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার পবনাপুর ইউনিয়নের বরকতপুর গ্রামের মৃত্যু শমশের আলীর স্রী মজিরন বেওয়া(৯০)এক মেয়ে নিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করে দীর্ঘ (৫০ বছর) থেকে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। স্বামীর রেখে যাওয়া দুই শতক জমি রয়েছে।


একটি ঘরের জন্য-মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বৃদ্ধ মা ও প্রতিবন্ধী ফাতেমার আবেদন। গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার পবনাপুর ইউনিয়নের বরকতপুর গ্রামের মৃত্যু শমশের আলীর স্রী মজিরন বেওয়া(৯০)এক মেয়ে নিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করে দীর্ঘ (৫০ বছর) থেকে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। স্বামীর রেখে যাওয়া দুই শতক জমি রয়েছে।

জমিতে একটি ঘর উত্তোলন করে কোন রকমে বসবাস করে আসছেন। একটু বৃষ্টি হলেই ঘরের আসবাবপত্র সব ভিজে যায়।এমনি কি ঘরে একটি চৌকিও নেই। মজিরন বেওয়া জানান, সুস্থ থাকা অবস্থায় বিভিন্ন হাট বাজার ও গ্রাম ঘুরে দৈনিক দেড় থেকে দুই কেজি চাল কিছু খুচরা পয়সা রোজগার করে কোন ভাবে প্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে দিন কাটছে আমার। মুই এখন বয়সের ভাড়ে আর চলাফেরা করবের পামনা।একটি ঘরের জন্য মেম্বার চেয়ারম্যান দের দারে দারে অনেক ঘুরছুম বাপু কেউ কোন সহযোগীতা করেনি।

সরেজমিন গিয়ে জানা যায়,মজিরন বেওয়া(৯০) স্বামীর মৃতু হয়ে প্রায় -৫২ বছর আগে। বৃদ্ধ মা প্রতিবন্ধী মেয়ে ফাতেমাকে নিয়ে এলাকায় ভিক্ষাবৃত্তি করে সংসার চালাত।তিনি আরোও বলেন,এই ভাঙ্গা ঘরে স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে প্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে কোন রকমে খেয়ে না খেয়ে বসবাস করে আসছেন। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে ঘরের সব জিনিসপত্র ভিজে গেছে।স্থানীয় প্রতিবেশি জহুরুল জানান,এই বৃদ্ধা কাউকে টাকা পয়সা দিতে পারেনা সেইজন্যই সে ঘরও পায়না। যারা টাকা পয়সা দিতে পারে শুধু তারাই ঘর পায়।

এবিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান এর সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি বলেন,বিষয়টি খুবই দুঃখজনক আমিও ইতিমধ্যে খোঁজখবর নিয়েছি এবং ইউনিয়নে কোন সুযোগ সুবিধা আসলে তাকে দেওয়া হবে।

উপজেলা নিবার্হী অফিসার কামরুজ্জামান নয়নের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,বিষয়টি আমার জানা ছিল না, এখন যেনেছি যাচাই-বাচাই করে পরবর্তী সময় তাকে ঘর দেওয়া হবে।বৃদ্ধ মজিরন বেওয়া দেশের বিত্তবানদের কাছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি ঘরের জন্য আবেদন করেছেন।


মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি