‘আলোর মশাল ছিল ঐতিহাসিক ছয় দফা’

‘আলোর মশাল ছিল ঐতিহাসিক ছয় দফা’
সর্বমোট পঠিত : 5 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে ছাত্রলীগ। শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, ছয় দফা আন্দোলনে স্বাধীনতার চেতনা সুদৃঢ় হয়। পরাধীনতার ঘোর অন্ধকারে আলোর মশাল ছিল দফাগুলো। রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে সোমবার সকালে ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে সংগঠনের নেতারা জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মেলনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠায় ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন।


১৯৬৬ সালের ৭ জুন ৬ দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণআন্দোলনের সূচনা হয়। এই দিনে আওয়ামী লীগের ডাকা হরতালে টঙ্গী, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জে পুলিশ ও ইপিআরের গুলিতে মনু মিয়া, শফিক, শামসুল হক, মুজিবুল হকসহ ১১ জন বাঙালি শহীদ হন।


শহীদদের স্মরণে প্রতি বছর ৭ জুন বাংলাদেশে ছয় দফা দিবস পালন করা হয়।


শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ছাত্রলীগ সভাপতি জয় বলেন, ‘বাঙালি জাতির ইতিহাসে ৭ জুন একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। ঐতিহাসিক ছয় দফা ছিল মহান স্বাধীনতার একটি রূপরেখা।


‘জাতির পিতা বাঙালির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার রূপরেখা তৈরি করতেই ছয় দফা ঘোষণা করেছিলেন। ছয় দফা আন্দোলনের মাধ্যমে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর অবিচারের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়।’


ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, ‘ছয় দফা আন্দোলনে বাঙালির স্বাধীনতার চেতনা আরও সুদৃঢ় হয়। দীর্ঘদিনের শোষণ, নির্যাতন আর পরাধীনতার ঘোর অন্ধকার যখন আমাদের ঘিরে ধরেছিল, তখন আলোর মশাল ছিল ঐতিহাসিক ছয় দফা।


‘সেই আলোর পথ বেয়েই স্বাধীনতার দিকে ধাবিত হয় বাঙালি জাতি। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জিত হয়।’


শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান হৃদয়সহ অনেকেই।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি