টিআইপি রিপোর্টে দ্বিতীয় স্তরে বাংলাদেশ

সর্বমোট পঠিত : 59 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

ট্রাফিকিং ইন পার্সন-টিআইপি রিপোর্টে দ্বিতীয় স্তর বজায় রেখেছে বাংলাদেশ। মানবপাচার বন্ধে সরকার উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়ার কারণে আগের অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। মানব পাচার নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বার্ষিক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।


ট্রাফিকিং ইন পার্সন-টিআইপি রিপোর্টে দ্বিতীয় স্তর বজায় রেখেছে বাংলাদেশ। মানবপাচার বন্ধে সরকার উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়ার কারণে আগের অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। মানব পাচার নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বার্ষিক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

গতকাল মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন ওই রিপোর্ট প্রকাশ করেন।

এতে বলা হয়, কোভিড সময়ে গতবারের তুলনায় মানব পাচার রোধে বাংলাদেশ সরকারের সার্বিক প্রচেষ্টা বেড়েছে। সেজন্য বাংলাদেশ টিয়ার টুতে থাকবে। ২০১৭ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত বাংলাদেশ টিয়ার টু ওয়াচলিস্টে ছিল। ২০২০ সালে দ্বিতীয় স্তরে উন্নীত হয়।

বাংলাদেশ সরকারের উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে- মানবচাপারে অভিযুক্ত একজন সংসদ সদস্যের পদ থেকে অপসারণ করা, ৭টি মানবপাচার প্রতিরোধ ট্রাইবুনালের কাজ শুরু করা এবং জোরপূর্বক শ্রম প্রতিরোধে আইএলও এর কনভেনশনে অনুস্বাক্ষর করা।

যুক্তরাষ্ট্রের মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা আইন-টিভিপিএ'র বিষয়গুলোকে ভিত্তি হিসেবে ধরে ধাপগুলো তৈরি করা হয়েছে। মানব পাচার বন্ধে যেসব দেশ টিভিপিএর ন্যূনতম মানদণ্ড অর্জন করতে পেরেছে, সেগুলোকে প্রথম ধাপে এবং যেসব দেশ ন্যূনতম মানদণ্ড অর্জন করতে পারেনি কিন্তু উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সেগুলোকে রাখা হয়েছে দ্বিতীয় ধাপে। তবে যেসব দেশ টিভিপিএর ন্যূনতম মানদণ্ড অভাবের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য চেষ্টাও নেই, সেগুলো আছে শেষ ধাপে।

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা রয়েছে দ্বিতীয় ধাপে।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি