কক্সবাজার সৈকতে অর্ধ লাখ পর্যটক

সর্বমোট পঠিত : 35 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম সংবাদমাধ্যমকে জানান, ঈদের প্রথম দিনে সৈকতে নেমেছেন ৫০ হাজারের বেশি পর্যটক। সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দারা নেমেছেন আরও ২০-৩০ হাজার। আগামীকাল ঈদের দ্বিতীয় দিনে সৈকতে নামতে পারেন দেড় থেকে দুই লাখ পর্যটক। বিপুলসংখ্যক পর্যটকের নিরাপত্তা নিশ্চিতে দুই শতাধিক ট্যুরিস্ট পুলিশকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সৈকতে রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

ঈদের দিন কক্সবাজারে সমুদ্র সৈকতে ৫০ হাজারের মতো পর্যটক জড়ো হয়েছেন। মঙ্গলবার সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট পর্যটকদের এই উপস্থিতি দেখা যায়। বুধবার থেকে পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়বে।

ফেডারেশন অব ট্যুরিজম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের ধারণা, এবারের ঈদের সাত দিনের ছুটিতে কক্সবাজারে ১০ লাখ পর্যটকের সমাগম হবে।

আজ বেলা ১১টার দিকে সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে কয়েক হাজার পর্যটক নামেন। সিগাল, লাবণী পয়েন্টে সমাগম হয় প্রায় ১৫ হাজার পর্যটকের। আর দক্ষিণ পাশের কলাতলী পয়েন্টসহ সব মিলিয়ে চার কিলোমিটার সৈকতে প্রায় ৩০ হাজার পর্যটকের দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়। বিকেলে সেই সংখ্যা বেড়ে ৫০ হাজারের কাছাকাছি পৌঁছায়।

এদিকে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে সাতটি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে বসে পর্যটকের নিরাপত্তা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম সংবাদমাধ্যমকে জানান, ঈদের প্রথম দিনে সৈকতে নেমেছেন ৫০ হাজারের বেশি পর্যটক। সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দারা নেমেছেন আরও ২০-৩০ হাজার। আগামীকাল ঈদের দ্বিতীয় দিনে সৈকতে নামতে পারেন দেড় থেকে দুই লাখ পর্যটক। বিপুলসংখ্যক পর্যটকের নিরাপত্তা নিশ্চিতে দুই শতাধিক ট্যুরিস্ট পুলিশকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সৈকতে রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

ফেডারেশন অব ট্যুরিজম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম সিকদার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ঈদের সাত দিনের ছুটিতে ১০ লাখের বেশি পর্যটকের সমাগম ঘটবে কক্সবাজারে। ইতিমধ্যে পাঁচ শতাধিক হোটেল, মোটেল, গেস্টহাউসের ৯০ শতাংশ কক্ষ অগ্রিম বুকিং হয়েছে।

এদিকে পর্যটকদের কাছ থেকে যেন কক্ষ ভাড়া বাবদ অতিরিক্ত টাকা আদায় না  করতে পারে হোটেল মালিকরা সেজন্য ভাড়ার তালিকা টানানোর নির্দেশ দিয়েছেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ। এ ছাড়া জেলা প্রশাসনের পৃথক চারটি ভ্রাম্যমাণ আদালত তৎপর থাকবে বলেও জানান তিনি।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি