পিপিপিতে গাজীপুর-নারায়ণগঞ্জ

আট লেনের এক্সপ্রেসওয়ে বাইপাস প্রকল্পে নিকট ঋণ সহায়তার চেক গ্রহণ শামীম এন্টারপ্রাইজের

সর্বমোট পঠিত : 70 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

মোঃ আমিনুল হক শামীম সিআইপি বলেন, গাজীপুরের ভোগরা থেকে নারায়ণগঞ্জের মদনপুর পর্যন্ত পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের ভিত্তিতে ৩ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। এটি ৮ লেনের সড়ক হবে। চীনের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশের দুটি প্রতিষ্ঠান একত্রে এই রাস্তায় নির্মাণকাজ করছে।

প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন গাজীপুর থেকে নারায়ণগঞ্জ এক্সপ্রেস বাইপাস প্রকল্পে শামীম এন্টারপ্রাইজ প্রাইভেট লিঃ এর নিকট ঋণ সহায়তা চেক হস্তান্তর করেছে সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেড (বিআইএফএফএল)।

শামীম এন্টারপ্রাইজ প্রাঃ লিঃ এর চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল হক শামীম সিআইপি জানান, গাজীপুরের ভোগরা থেকে নারায়ণগঞ্জের মদনপুর পর্যন্ত নতুন একটি বাইপাস সড়ক হচ্ছে। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপে (পিপিপি) হতে যাওয়া ৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই এক্সপ্রেসওয়ে বাইপাসটি নির্মাণে খরচ হবে প্রায় ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে এক হাজার ৭৫ কোটি টাকা ঋণ সহায়তা দিচ্ছে সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেড (বিআইএফএফএল)।

রোববার সচিবালয়ে ঋণ সহায়তার আওতায় বিআইএফএফএল ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ে ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডকে প্রথম কিস্তিতে ৪২ কোটি ৫০ টাকার চেক হস্তান্তর করেছে। ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে চীনা নির্মাণ প্রতিষ্ঠান সিচুয়ান রোড অ্যান্ড ব্রিজ গ্রুপ কর্পোরেশন লিমিটেড (এসআরবিজি) এবং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান শামীম এন্টারপ্রাইজ ও ইউডিসি কনস্ট্রাকশন লিমিটেড যৌথভাবে ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ে ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি গঠন করেছে।

চেক হস্তান্তরের সময় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব নজরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

 মোঃ আমিনুল হক শামীম সিআইপি বলেন, গাজীপুরের ভোগরা থেকে নারায়ণগঞ্জের মদনপুর পর্যন্ত পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের ভিত্তিতে ৩ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। এটি ৮ লেনের সড়ক হবে। চীনের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশের দুটি প্রতিষ্ঠান একত্রে এই রাস্তায় নির্মাণকাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ ও পরিষেবা স্থানাস্তর কাজের জন্য ৯৫০ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এ অর্থ সরকার দেবে। চার বছরের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করার কথা। নির্মাণের পর নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ২১ বছর পর্যন্ত টোল আদায় করতে পারবে।

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম আনিছুজ্জামান, শামীম এন্টারপ্রাইজ প্রাঃ লিঃ এর চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল হক শামীম সিআইপি , ক্রেডিট অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ডিপার্টমেন্টের প্রধান শেখ আনোয়ার সাদাতসহ নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি