'যারা মুজিবনগর সরকারকে স্বীকার করে না তারা স্বাধীনতা বিরোধী'

'যারা মুজিবনগর সরকারকে স্বীকার করে না তারা স্বাধীনতা বিরোধী'
সর্বমোট পঠিত : 47 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আরও বলেন, ভারত আমাদের বন্ধু প্রতিম দেশ। দু’দেশের সম্পর্ক আরো দৃঢ় করার জন্য মুজিবনগরে স্থাপন করা হচ্ছে চেক পোস্ট। যার কার্যক্রম দ্রুতই এগিয়ে চলেছে। হবে স্থলবন্দরও। স্থলবন্দর বড় অবকাঠামো নির্মাণ সাপেক্ষে চালু হবে। স্বারাষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত সমীক্ষার কাজও শেষ হয়েছে। এ সবই ঐতিহাসিক মুজিবনগরের কল্যাণে মেহেরপুর বাসির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এক অনন্য উপহার।

মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, যারা মুজিবনগর সরকারকে স্বীকার করেনা তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না, মুজিবনগর সরকার হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম সরকার। এর বিরোধিতা যারা করে তারা মূলত স্বাধীনতা বিরোধী।

বৃহস্পতিবার মুজিবনগর দিবসের আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, মুজিবনগর দিবস বাঙ্গালির জাতীয় জীবনে অন্যতম একটি স্বরণীয় দিন। বর্তমানে মুজিবনগর দিবসটি বি ক্যাটারি রাষ্ট্রীয় দিবস হিসাবে পালন করা হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে মুজিবনগর দিবসটি এ ক্যাটাগির রাষ্ট্রীয় দিবস হিসাবে পালনের প্রস্তাব করা হয়েছে। আশা করছি ক্যাবিনেট মিটিংয়ে এ বিষয়ে উত্থাপন হলে এ ক্যাটাগরি দিবস হিসাবে মুবিজনগর দিবস পালন করা সম্ভব হবে। সেই সাথে মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ কমপ্লেক্সটি বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলার জন্য সরকার যে এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে তার কাজও আগামি দুই মাসের মধ্যে শুরু করা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছে। তাই এর গুরুত্ব অনেক বেশি। তবে পরিতাপের বিষয় হলো, বিএনপি-জামায়াত সহ অনেকেই মুজিবনগর সরকারের শপথের এই দিনটি পালন করেনা। শুধুমাত্র আওয়ামী লীগ প্রতিবছর এই দিনটি নানা আনুষ্ঠানিকতায় পালন করে । বাংলাদেশের স্বাধিনতায় বিশ্বাস করতে হলে মুজিবনগর সরকারেক বিশ্বাস করতে হবে। তাই  মুজিবনগরকে আধুনিকায়ন করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। দেশ বিদেশ থেকে দর্শনার্থীরা ঐতিহাসিক মুজিবনগরে এসে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে যাতে জানতে পারবে সে বিষয়ে বর্তমান সরকার সব ধরনের ব্যাবস্থা গ্রহণ করছে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আরও বলেন, ভারত আমাদের বন্ধু প্রতিম দেশ। দু’দেশের সম্পর্ক আরো দৃঢ় করার জন্য মুজিবনগরে স্থাপন করা হচ্ছে চেক পোস্ট।  যার কার্যক্রম দ্রুতই এগিয়ে চলেছে। হবে স্থলবন্দরও। স্থলবন্দর বড় অবকাঠামো নির্মাণ সাপেক্ষে চালু হবে। স্বারাষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত সমীক্ষার কাজও শেষ হয়েছে। এ সবই ঐতিহাসিক মুজিবনগরের কল্যাণে মেহেরপুর বাসির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এক অনন্য উপহার।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আ.ফ,ম বাহাউদ্দিন নাসিম বলেন, বিএনপি বলছে বাংলাদেশ শ্রীলংকা আফগানিস্তান, পাকিস্তান হয়ে যাবে। বাস্তবতা হলো বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। এখানে শ্রীলংকা বা আফগানিস্তান হ‌ওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।

এর আগে বাংলাদেশ আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি.এম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে সকাল সাড়ে দশটার সময় মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ,ক,ম মোজাম্মেল হক, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাসিম, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এ্যাড. পারভীন জামান কল্পনা, গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার এমপি, মেহেরপুর-২ গাংনী আসনের এমপি মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান খোকন, বীর মুক্তিযোদ্ধা, জেলা আওয়ামী লীগ সহ নেতারা। পরে শেখ হাসিনা মঞ্চের জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পতাকা উত্তোলন শেষে পুলিশ, আনসার, স্কাউট ও গার্লস গাইড দল অতিথিদের গার্ড অব অনার প্রদর্শন করে।  গার্ড অব অনার শেষে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় থেকে প্রদর্শন করা হয় গীতি নাট্য 'জল মাটি ও মানুষ'।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি