বগুড়ায় সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা অরেঞ্জ হত্যা মামলায় শুটার রাসেল ঢাকায় গ্রেপ্তার

বগুড়ায় সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা অরেঞ্জ হত্যা মামলায় শুটার রাসেল ঢাকায় গ্রেপ্তার
সর্বমোট পঠিত : 40 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১২ বগুড়া ক্যাম্পের কমান্ডার (স্কোয়াড্রন লিডার) সোহরাব হোসেন। তিনি জানান, ঢাকাস্থ র‌্যাবের একটি দল গতকাল রাত ১০টার দিকে অভিযান পরিচালানা করে রাসেল গ্রেপ্তার হয়েছে। এ বিষয়ে ঢাকায় র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখা থেকে প্রেস ব্রিফিং করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাকে নিয়মানুযায়ী বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হবে।

বগুড়ায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নাজমুল হাসান অরেঞ্জকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি শুটার রাসেলকে রাজধানীর বনানী থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‍্যাব)। এ বিষয়ে মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন একটি সংবাদ সম্মেলন করেন।
এ নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা অরেঞ্জ হত্যায় তিন জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১২ বগুড়া ক্যাম্পের কমান্ডার (স্কোয়াড্রন লিডার) সোহরাব হোসেন। তিনি জানান, ঢাকাস্থ র‌্যাবের একটি দল গতকাল রাত ১০টার দিকে অভিযান পরিচালানা করে রাসেল গ্রেপ্তার হয়েছে। এ বিষয়ে ঢাকায় র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখা থেকে প্রেস ব্রিফিং করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাকে নিয়মানুযায়ী বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হবে।

র‌্যাব কমান্ডার আরো জানান, সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে বগুড়া র‌্যাব-১২ এর একটি দল খাইরুল ইসলাম নামে আরেক আসামিকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার খায়রুল ইসলাম বগুড়া শহরের মালগ্রাম ডাবতলা এলাকার বাসিন্দা এবং শহর যুবলীগের ৮ নম্বর ওর্য়াডের সাধারণ সম্পাদক। এ ছাড়া অরেঞ্জের স্ত্রীর করা মামলায় খাইরুল ইসলাম ৩ নম্বর আসামি।

এর আগে গতকাল সোমবার রাত ১১টার দিকে বগুড়ায় প্রতিপক্ষের গুলিতে আহত জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নাজমুল হাসান অরেঞ্জ মারা গেছেন। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে টানা আট দিন তিনি বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।

নিহত অরেঞ্জ মালগ্রাম দক্ষিণপাড়ার রেজাউল ইসলামের ছেলে। তিনি স্বেচ্ছাসেবক লীগ বগুড়া জেলা শাখার সাহিত্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক সহ-সম্পাদক ছিলেন।

সোমবার রাতেই বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম রেজা অরেঞ্জের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করে জানান, তার মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

পরিবার সূত্রে  জানা গেছে, ময়নাতদন্ত শেষে দুপুরে যোহর নামাজের পর অরেঞ্জের জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিকেলে আরেকটি জানাজা শেষে নামাজগড় গোরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

গত ২ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে বগুড়া শহরের মালগ্রামের ডাবতলা এলাকায় অরেঞ্জকে গুলি করে প্রতিপক্ষ। এ সময় তার বন্ধু আরেক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মিনহাজ শেখ আপেলও গুলিবিদ্ধ হন। তবে অরেঞ্জের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তাকে আইসিইউ-তে নেয়া হয়।

পুলিশ জানায়, স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধের জের ধরে অরেঞ্জ ও আপেলকে গুলি করা হয়। এর আগে ঈদুল ফিতরের ঈদের পর একবার হামলার ঘটনা ঘটেছিল। ওই হামলার শিকার গ্রুপটিই প্রতিশোধ নিতে এবার গুলি চালায়।

ঘটনার দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে অরেঞ্জ ও আপেল মালগ্রাম ডাবতলার মোড়ে বসে কথা বলছিলেন। এ সময় মালগ্রাম বেলতলা মোড় থেকে ৪/৫টি মোটর সাইকেলে একদল যুবক ডাবতলা মোড়ের দিকে যায়। তাদের মধ্য থেকে দু’জন অরেঞ্জ ও আপেলকে লক্ষ্য করে পর পর কয়েকটি গুলি ছোঁড়ে। দু’টি গুলি অরেঞ্জের বাম চোখের নিচে লাগে। আর তার সঙ্গে থাকা আপেলের পেটে গুলি লাগে।
পরে অরেঞ্জের স্ত্রী স্বর্নালি আক্তার বাদী হয়ে ওইদিন রাতেই সাতজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন।

মামলাটি তদন্তের দায়িত্বে থাকা উপ-পরিদর্শক জাকির আল আহসান জানান, গত বৃহস্পতিবার টিপু নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি মালগ্রামের কসাইপাড়া এলাকার বাসিন্দা ।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি