স্বামী-স্ত্রীর পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীর আত্মহত্যা

স্ত্রীর আত্মহত্যা
সর্বমোট পঠিত : 50 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

জানতে চাইলে কচাকাটা থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জাহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মৃতের লাশ ভুরুঙ্গামারী থানায় নিয়ে যায় ও ময়না তদন্ত করে, আইনি বিষয় সেখানেই ব্যবস্থা হতে পারে, তবে মৃতের বাড়ি যেহেতু আমার থানা এলাকায়, সে ক্ষেত্রে তারা যদি কোনো অভিযোগ দায়ের করে তাহলে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

কুড়িগ্রামে বিয়ের পূর্বে স্ত্রীর আরো তিনটি বিয়ের বিষয় গোপন করায় তা জানার পর স্বামীর সাথে কলহের জেরে স্ত্রীর আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনা সুত্রে জানা যায়, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বল্লভের খাষ ইউনিয়নের মোল্লাপাড়া গ্রামের ফজর আলীর মেয়ে ফাতেমা বেগমের(২১) সাথে তিন মাস পূর্বে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের গাবতলা এলাকার ফরিদুল এর বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর ফাতেমার স্বামী ফরিদুল এর আগে তার স্ত্রীর আরও ৩টি বিয়ের কথা জানতে পেলে তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে স্ত্রী ফাতেমাকে গত ৭ জানুয়ারি ফরিদুল মারধর করে বলে অভিযোগ ওঠে।এতে ক্ষোভে স্বামীর বাড়ি ছেড়ে বাপের বাড়িতে চলে যায় ফাতেমা।

৮ জানুয়ারি শনিবার দুপুরে ফরিদুল ফাতেমাকে আনতে শশুর বাড়ি যায়। এসময় ফরিদুলকে শশুর বাড়ির লোকজন মারপিট করে ঘরে আটকিয়ে রাখে।

এদিকে আটক ফরিদুলকে সবার অজান্তে ছাড়িয়ে দিলে ফাতেমাকেও মারপিট করে তার পরিবারের লোকজন। এতে ক্ষোভে শনিবার বিকালে বিষপান করে ফাতেমা। বিষপানের বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের লোকজন ফাতেমাকে আশংকাজনক অবস্থায় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায় । সন্ধ্যায় না ফেরার দেশে পাড়ি জমান ফাতেমা। খবর পেয়ে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ রাতেই ফাতেমার মরদেহ থানায় নিয়ে এসে ৯ জানুয়ারি রবিবার সকালে ময়না তদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম মর্গে প্রেরণ করে ।

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আলমগীর হোসেন জানান, মামলা হলে কচাকাটা থানায় হবে। আমরা শুধু লাশ ময়না তদন্তের প্রসেসিং করে দিয়ে দিয়েছি । আর এ বিষয়ে কচাকাটা থানা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

জানতে চাইলে কচাকাটা থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জাহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মৃতের লাশ ভুরুঙ্গামারী থানায় নিয়ে যায় ও ময়না তদন্ত করে, আইনি বিষয় সেখানেই ব্যবস্থা হতে পারে, তবে মৃতের বাড়ি যেহেতু আমার থানা এলাকায়, সে ক্ষেত্রে তারা যদি কোনো অভিযোগ দায়ের করে তাহলে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি