আগুন নেভানোর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না অভিযান-১০ লঞ্চে: ফায়ার সার্ভিস

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ফায়ার সার্ভিসের অপারেশন ও মেইনটেইনেন্স বিভাগের পরিচালক লে. কর্নেল জিল্লুর রহমান।
সর্বমোট পঠিত : 58 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

লে. কর্নেল জিল্লুর রহমান বলেন, ‘পুড়ে যাওয়া যাত্রীবাহী লঞ্চ অভিযান-১০ এ পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি ছিল না। যদি থাকতো তাহলে এতো হতাহত হতো না। লঞ্চের চালক বা ষ্টাফরা অতি দ্রুত লঞ্চটি কিনারায় ভিড়িয়ে যদি নোঙর করতো, তাহলে বহু যাত্রী মাটিতে নামতে সুযোগ পেতেন। কিন্তু সে কাজটিও লঞ্চের চালক ও ষ্টাফরা করেনি।’

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে আগুন নেভানোর জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের অপারেশন ও মেইনটেইনেন্স বিভাগের পরিচালক লে. কর্নেল জিল্লুর রহমান (পিএসসি)।

রোবববার দুপুর ১২টার দিকে ঝালকাঠিতে পুড়ে যাওয়া লঞ্চ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন তিনি।

লে. কর্নেল জিল্লুর রহমান বলেন, ‘পুড়ে যাওয়া যাত্রীবাহী লঞ্চ অভিযান-১০ এ পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি ছিল না। যদি থাকতো তাহলে এতো হতাহত হতো না। লঞ্চের চালক বা ষ্টাফরা অতি দ্রুত লঞ্চটি কিনারায় ভিড়িয়ে যদি নোঙর করতো, তাহলে বহু যাত্রী মাটিতে নামতে সুযোগ পেতেন। কিন্তু সে কাজটিও লঞ্চের চালক ও ষ্টাফরা করেনি।’

তিনি বলেন, ‘নদীর পানি ব্যবহার করেই পাম্প মেশিনের মাধ্যমে আগুন নিয়ন্ত্রণ করা যেতো, কিন্তু সেটিও করেনি তারা। আমাদের তদন্ত কমিটি কাজ করছে, তদন্ত শেষ হলে আগুনের সুত্রপাতের কারণ জানা যাবে।’

ঢাকা থেকে বরগুনা যাওয়ার পথে গত শুক্রবার ভোররাতে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে অভিযান-১০ লঞ্চে আগুন লেগে এখন পর্যন্ত ৪০ জনের বেশি মানুষের প্রাণ গেছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি