চলে গেলেন কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক

কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক
সর্বমোট পঠিত : 39 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

এরপর থেকে হাসান আজিজুল হক বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ব পাশে নগরের চৌদ্দপায় এলাকার আবাসিক এলাকায় বসবাস করতেন। সাহিত্যে অবদানের জন্য হাসান আজিজুল হক ১৯৭০ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পান। ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে একুশে পদকে ভূষিত করে। ২০১৯ সালে তাঁকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হয়।

বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগে চলে গেলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সাহিত্য অঙ্গনে।

সোমবার রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা বিহাসে নিজের বাড়িতে তার মৃত্যু হয়েছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে তিন দশক অধ্যাপনার পর ২০০৪ সালে তিনি অবসরে গিয়েছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মানসূচক ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

একুশে পদকে ও স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত এই গদ্যশিল্পীর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আন্দন্দ পুরস্কারও তার মুকুটে ছিল।

গত কিছু দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন হাসান আজিজুল হক। বাথরুমে পড়ে কোমরে ব্যথা পাওয়ার পর বছরের মাঝামাঝি থেকে বিছানাগত ছিলেন তিনি।

এর মধ্যে নিউমোনিয়া ও হার্টের সমস্যা দেখা দিলে গত আগাস্টে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় এনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়েছিল তাকে।

প্রায় তিন সপ্তাহ চিকিৎসা শেষে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাকে রাজশাহীতে ফিরিয়ে নেয়া হয়। সেখানে বাসায় রেখেই তার চিকিৎসা চলছিল।

তার মধ্যেই সোমবার রাতে রাজশাহীর সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা এক ফেইসবুক পোস্টে প্রিয় শিক্ষকের মৃত্যুর খবর জানিয়ে লেখেন-আমরা সকলে মর্মাহত। সকল প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হলো।

হাসান আজিজুল হক ১৯৩৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার যবগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। জীবনের অধিকাংশ সময় তিনি রাজশাহীতে কাটিয়েছেন। ১৯৭৩ সালে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৪ সাল পর্যন্ত একনাগাড়ে ৩১ বছর অধ্যাপনা করেন।

এরপর থেকে হাসান আজিজুল হক বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ব পাশে নগরের চৌদ্দপায় এলাকার আবাসিক এলাকায় বসবাস করতেন। সাহিত্যে অবদানের জন্য হাসান আজিজুল হক ১৯৭০ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পান। ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে একুশে পদকে ভূষিত করে। ২০১৯ সালে তাঁকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হয়।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি