পুঁজিবাজার ২১ হাজার কোটি টাকা পেতে পারে চলতি সপ্তাহেই

পুঁজিবাজার ২১ হাজার কোটি টাকা পেতে পারে চলতি সপ্তাহেই
সর্বমোট পঠিত : 20 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

গত বছরের শেষ দিক থেকে পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিনের হতাশা দূর হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে যখন আলোচনা, সে সময় অবণ্টিত লভ্যাংশের বিষয়টি সামনে আসে। জানা যায়, ২১ হাজার কোটি টাকারও বেশি পড়ে আছে দাবিহীন। বিএসইসি প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত নেয়, এই তহবিল ব্যবহার করে পুঁজিবাজারের উন্নয়ন করার চেষ্টা করবে তারা। গঠন করা হয় ‘ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড’। এই ফান্ডের সব নীতিমালা চূড়ান্ত করে গেজেট প্রকাশের জন্য পাঠানো হয়েছে বিজি প্রেসে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির দাবিহীন অবণ্টিত মুনাফার প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা অবশেষে পুঁজিবাজারের উন্নয়নের জন্য কাজে লাগানোর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়েছে।

চলতি সপ্তাহেই প্রজ্ঞাপনও জারি হতে পারে বলে জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। এই তহবিলের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকা তারল্য সংকটের ‍সুরাহা হবে বলে আশা করছে তারা। নিউজবাংলাকে দেয়া একান্ত সাংক্ষাৎকারে সংস্থাটির চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম বুধবার বলেছেন, ‘এটা গেজেট প্রকাশের জন্য বিজি প্রেসে চলে গেছে।’ গত বছরের শেষ দিক থেকে পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিনের হতাশা দূর হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে যখন আলোচনা, সে সময় অবণ্টিত লভ্যাংশের এই বিষয়টি সামনে আসে। জানা যায় ২১ হাজার কোটি টাকারও বেশি পড়ে আছে দাবিহীন।

বিএসইসি প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত নেয়, এই তহবিল ব্যবহার করে পুঁজিবাজারের উন্নয়ন করার চেষ্টা করবে তারা। কীভাবে কী করা যায়, তার জন্য গঠন করা হয় কমিটি। বাজারে তারল্য বাড়াতে এই অর্থে ’ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড’ নামে একটি তহবিল করার চিন্তা করা হয়। সেখানে জমা হবে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানির অবণ্টিত লভ্যাংশ। এর খসড়া নীতিমালা উন্মুক্ত করে মতামত নেয়া হয় এবং সে অনুযায়ী নীতিমালাও চূড়ান্ত করা হয়েছে।

খসড়া নীতিমালার ওপর বিএসইসিতে লিখিত প্রস্তাব পাঠায় তালিকাভুক্ত কোম্পানির সমিতি বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেট কোম্পানি-বিএপিএলসি। তাদের বেশ কিছু আপত্তি বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। এই অর্থ ব্যবহার করলে পুঁজিবাজারে তারল্যের দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।গত ২৫ মে আগেই এ-সংক্রান্ত নীতিমালা চূড়ান্ত করা হলেও করোনা পরিস্থিতির কারণে সরকারি ছাপাখানা বিজি প্রেসের কাজের পরিধি কম থাকায় তা সম্ভব হয়নি।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি