অপরূপ সৌন্দর্যে ভরপুর শাপলার বিল, বাড়ছে পর্যটকদের ভিড়

শাপলার বিল, বাড়ছে পর্যটকদের ভিড়
সর্বমোট পঠিত : 78 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

শাপলা ফুলের সৌন্দর্য দেখতে ৩ মাস পর্যটকদের ঢল নামে এই বিলে। বিশেষ করে সরকারি বন্ধ কিংবা বিশেষ কোন উৎসবের দিনে ভীড় বেড়ে যায় কয়েকগুন। সূর্য্য প্রখর হওয়ার পর আস্তে আস্তে বুজে যায় শাপলা, ফোঁটে রাতের বেলা। এমন ঘটনার সাক্ষী হতে পর্যটকরাও ছুটে যান আঁধার কাটিয়ে। সৌন্দর্য পিপাসুরা শাপলার বিলকে দিয়েছেন সেরা পর্যটন কেন্দ্রের মর্যাদা।

বরিশালের উজিরপুরের শাপলার বিলকে দক্ষিণাঞ্চলের সেরা রোমাঞ্চকর পর্যটন কেন্দ্র বলে দাবী তুলেছে পর্যটকরা। সেরা হোক বা না হোক বরিশালের সাতলার শাপলার বিলে অপরূপ সেঁজেছে প্রকৃতি। যতদূর চোখ যায়- রক্তিম হাতছানি। বিলের পানিতে মাথা উচু করে সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে লাল শাপলা। মাঝে মাঝে দেখা যায় সাদা আর বেগুনী শাপলা ফুল।

বর্ষার এই সময়ে পর্যটকদের ভীড় বাড়ে এই শাপলার বিলে। শুক্র ও শনিবারসহ সরকারি ছুটির দিনে বিলে ভীড় হয় কয়েকগুন। তারা পরিবার-বন্ধু-স্বজনদের নিয়ে বিলে নৌকায় বেড়িয়ে আনন্দ করেন। পর্যটকদের ভীড়ে শাপলার মৌসুমে স্থানীয় অর্থনীতি হয় চাঙ্গা।

বরিশাল বিভাগীয় সদর থেকে সড়ক পথে উজিরপুরের শাপলার বিলের দূরত্ব প্রায় ৭০ কিলোমিটার। কালভিলা, মুড়িবাড়ি, জনতা বাজার এবং পূর্ব সাতলার বিস্তৃর্ণ ৪টি বিলে বর্ষার শুরুতে প্রাকৃতিকভাবেই জন্ম নেয় অসংখ্য শাপলা। আগাছায়ও ভরে থাকে বিল। শ্রাবণের শেষের দিকে শাপলায় ফুল ফুটতে শুরু করে। কার্তিক মাসের শেষে দিকে বিলে পানি থাকতে থাকতেই শাপলাসহ যাবতীয় আগাছা পরিস্কার করেন স্থানীয় কৃষকরা। অগ্রাহায়নে শুকিয়ে যায় বিল।

শাপলা ফুলের সৌন্দর্য দেখতে ৩ মাস পর্যটকদের ঢল নামে এই বিলে। বিশেষ করে সরকারি বন্ধ কিংবা বিশেষ কোন উৎসবের দিনে ভীড় বেড়ে যায় কয়েকগুন। সূর্য্য প্রখর হওয়ার পর আস্তে আস্তে বুজে যায় শাপলা, ফোঁটে রাতের বেলা। এমন ঘটনার সাক্ষী হতে পর্যটকরাও ছুটে যান আঁধার কাটিয়ে। সৌন্দর্য পিপাসুরা শাপলার বিলকে দিয়েছেন সেরা পর্যটন কেন্দ্রের মর্যাদা।

নৌকায় বিলের পানিতে ভেসে শাপলা ফুলের সাথে মিতালী করেন সবাই। মিশে যান প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য্যে। তবে সমস্যা হল বিলের বেড়াতে যাওয়া দর্শনাথীদের জন্য নেই কোন রেস্ট হাউজ কিংবা শৌচাগার। এতে বিপাকে পড়তে হয় পর্যটকদের।

অন্যদিকে খানাখন্দের রাস্তার কারণে শাপলার বিলে যাতায়াতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় তাদের। বিলে বেড়ানোর নৌকা ভাড়ায়ও আপত্তি আছে পর্যটকদের।

পর্যটকদের আনাগোনায় বর্ষার ৩ মাস চাঙ্গা থাকে স্থানীয় অর্থনীতি। নৌকার মাঝিরা এই সময়টিতে বাড়তি আয়ের সুযোগ পান।

বরিশাল নগরী থেকে মহাসড়ক ধরে উজিরপুর সদর পর্যন্ত ২১ কিলোমিটার যাওয়ার পর বাকী প্রায় ৫০ কিলোমিটার সড়কের বেশীরভাগই খানাখন্দে ভরা।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি