উল্লেখ্য, গত ১৮/০৮/২০২৬ইং তারিখে প্রতিপক্ষরা পলাশ খানের বাড়ির জমি দখল করতে গিয়ে শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কর্তন করে। থানায় অভিযোগ না নেয়ায় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে অভিযোগ করলেও কোন প্রতিকার পাননি বলে হতাশ পলাশ খান।
সরিষাবাড়ীতে নিষিদ্ধ সংগঠন আঃলীগের সহায়তায় বিএনপি কর্মীর বাড়ি লুট, অগ্নিসংযোগ ও জমি দখলের অভিযোগ
সরিষাবাড়ীতে নিষিদ্ধ সংগঠন আঃলীগের সহায়তায় বিএনপি কর্মীর বাড়ি লুট, অগ্নিসংযোগ ও জমি দখলের অভিযোগ
বিএনপি’র প্রভাবশালী নেতার ছত্রছায়ায় স্থানীয় নিষিদ্ধ সংগঠন আঃলীগের ক্যাডাররা বিএনপি কর্মী পলাশ মাহমুদ খানকে জিম্মি করে তাঁর বসতঘরে সব মালামাল লুট ও বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে পরিবারের সদস্যদের তাড়িয়ে দিয়ে জমি দখলের অভিযোগ করেছে ভূক্তভোগী পরিবার। পলাশ মাহমুদ খান ও তার পরিবারের সদস্যরা প্রাণনাশের ভয়ে আতঙ্কে আত্মগোপন করেছেন বলে ছোট ভাই শিমুল খান নিশ্চিত করেন। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) পৌরসভার বাউসী চন্দনপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, পৌরসভার বাউসী চন্দনপুর এলাকার মৃত মজনু খানের পুত্র পলাশ মাহমুদ খান পরিবারের সাথে প্রতিবেশী আঃ সোবাহান ফকিরের পুত্র শহিদুর রহমানের জমি নিয়ে বিরোধ দীর্ঘদিনের। বুধবার শহিদুর রহমানের নেতৃত্বে ঢাকা বনানী থানা ছাত্রলীগের সহসভাপতি রাজন খান, স্থানীয় আঃলীগের ক্যাডার মোশারফ হোসেন, মিষ্টার, হেলাল খান, মুনসের ফকির, নজির হোসেনসহ এলাকার শতাধিক লোকজন বিএনপির প্রভাবশালী নেতাদের প্রত্যক্ষ মদদে পরিবারের সদস্যদের তাড়িয়ে দিয়ে তিনটি বসতঘর ও একটি রান্নাঘরে লুটপাট করে আগুন দেয় বলে পলাশ খানের অভিযোগ। পোড়া ঘরের চালের টিন খুলে বাঙালি মৌজায় তাঁর ক্রয়কৃত ও পৈতৃক ৫৯ শতাংশ জমি দখলের পর বাউন্ডারী দেয়। আগুনে ঘরের দুটি পল্লী বিদ্যুতের মিটার ও সার্ভিস তার খুলে নেয়। এ ঘটনায় প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি পলাশ খানের। তিনি দাবি করেন, ঘটনার সময় ৯৯৯ ফোন করার পর পুলিশ উপস্থিত হলেও তাকে উদ্ধার করেনি। হয়রানি করতে তাঁর বসতঘরে লুট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় উল্টো তাঁর বিরুদ্ধেই মামলা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে পলাশ খান গণমাধ্যমকে জানান। ভূক্তভোগী পরিবার জমি বাড়ীঘর ফেরৎ চান এবং জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও ন্থানীয় প্রশাসনের নিকট জোর দাবী জানান।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শহিদুর রহমান বলেন, আদালতের রায়ের ভিত্তিতেই তিনি তাঁর জমি বুঝে নিয়েছেন। তিনি অন্যের জমি জবরদখল করেননি।
এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য