বৈদেশিক ঋণের চাপ নিয়েই রাষ্ট্র চালাতে হচ্ছে: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

সর্বমোট পঠিত : 31 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘বাংলাদেশে যমুনা সেতু আমরা করেছিলাম। পদ্মা সেতুর উদ্যোগও আমরা নিয়েছিলাম। ২০০২ থেকে ২০০৫ সালে পদ্মা সেতুর নির্মাণের ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি হয়েছিল ও মাওয়াতে অ্যালাইনমেন্ট নির্দিষ্ট করেছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকার। কিন্তু পরবর্তী সরকার তা বাস্তবায়ন করেছিল। আমি যতটুকু বুঝি অর্থের অপচয় হয়েছে, দুর্নীতি হয়েছে, কিন্তু পদ্মা সেতুটা হয়েছে। অর্থের ব্যয় কমানো যেত, সচ্ছলতার সাথে করা যেত সেটাই জনগণের দাবি ছিল। যারা করতে পারেনি দায়বদ্ধতা তাদের। অর্থের অপচয় করেছে, তাদের কিন্তু আইনি ব্যবস্থার দাবি রাখে, সেটি চলমান আছে। বর্তমান সরকার টেকসই উন্নয়ন চায়, জবাবদিহিতার শাসন চায় এবং টেকসই কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখতে চায়।’ 

মেগা প্রকল্পের নামে লুট হয়েছে। ৩০ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। ২০ লাখ কোটি টাকার উপরে বৈদেশিক ঋণ রেখে দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে দিয়েই রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

আজ সোমবার দুপুরে পদ্মা সেতুর শরীয়তপুর জাজিরা প্রান্তে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও পদ্মা সেতু জাদুঘরের নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, ‘১৬টি মেগা প্রকল্পের অর্থ ব্যয় হয়ে গিয়েছে, কিন্তু কাজ হয়নি। ঠিকাদার পালিয়ে গিয়েছে, শুরু করা যাচ্ছে না। একই সঙ্গে বিদেশি দাতা সংস্থা যারা আছে, যারা আমাদের বন্ধু হিসেবে বড় বড় প্রকল্পে সহযোগিতা করত, তারা এখন অনীহা প্রকাশ করছে ১৮ বছরের দুর্নীতি ও অ-আনুষ্ঠানিকতার প্রক্রিয়ার কারণে।’

শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘বাংলাদেশে যমুনা সেতু আমরা করেছিলাম। পদ্মা সেতুর উদ্যোগও আমরা নিয়েছিলাম। ২০০২ থেকে ২০০৫ সালে পদ্মা সেতুর নির্মাণের ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি হয়েছিল ও মাওয়াতে অ্যালাইনমেন্ট নির্দিষ্ট করেছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকার। কিন্তু পরবর্তী সরকার তা বাস্তবায়ন করেছিল। আমি যতটুকু বুঝি অর্থের অপচয় হয়েছে, দুর্নীতি হয়েছে, কিন্তু পদ্মা সেতুটা হয়েছে। অর্থের ব্যয় কমানো যেত, সচ্ছলতার সাথে করা যেত সেটাই জনগণের দাবি ছিল। যারা করতে পারেনি দায়বদ্ধতা তাদের। অর্থের অপচয় করেছে, তাদের কিন্তু আইনি ব্যবস্থার দাবি রাখে, সেটি চলমান আছে। বর্তমান সরকার টেকসই উন্নয়ন চায়, জবাবদিহিতার শাসন চায় এবং টেকসই কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখতে চায়।’ 

সেতু বিভাগের নির্বাহী পরিচালক ও সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন–সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম নাসিরউদ্দিন সরদার, জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) শেখ শরীফ-উজ-জামানসহ অন্যান্যরা।

মন্তব্য

আরও দেখুন

নতুন যুগ টিভি